খুলনা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৩ ২০:৩৯ পিএম
আপডেট : ১৫ মে ২০২৩ ২০:৫৪ পিএম
খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল একসময় সন্ত্রাসীদের চারণক্ষেত্র থাকলেও সরকারের বিশেষ উদ্যোগ ও কার্যকর কর্মকৌশল বাস্তবায়নের ফলে সন্ত্রাস ও সহিংসতা নির্মূল হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিট) এসএম রুহুল আমিন।
তিনি বলেন, ’ইতোমধ্যে সুন্দরবনকেন্দ্রিক সন্ত্রাসীদের দমন করা সম্ভব হয়েছে। এসব সন্ত্রাসী আগামী দিনে যেন সহিংসতা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য খুলনা অঞ্চলে অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিট চালুর প্রক্রিয়া চলছে। এ সংস্থা চালু হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধ সহজ হবে।’
সোমবার (১৫ মে) খুলনার একটি অভিজাত হোটেলে পুলিশের বিশেষায়িত সংস্থা অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) ও জাতিসংঘের মাদক ও ক্রাইম কেন্দ্রের (ইউএনওডিসি) যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং পদ্ধতি এবং কৌশল শক্তিশালীকরণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। রিজিওনাল কনসালটেশনের অংশ হিসেবে এই কর্মশালা আয়োজন করা হয়।
এসএম রুহুল আমিন বলেন, ’দেশ থেকে সন্ত্রাসী দূর করতে হলে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।’
কর্মশালায় খুলনা মেট্রোপলিটনের (কেএমপি) পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদুর রহমান ভূঞা, খুলনার ডিআইজি মঈনুল হক, খুলনা পিটিসির ডেপুটি কমান্ড্যান্ট হাবিবুর রহমান খান, বরিশাল বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি (এটিইউ) নাসিমা আক্তার, খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি (এটিইউ) মো. মনিরুজ্জামান, খুলনার পুলিশ সুপার মাহবুব হাসান, অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার মোছা. শিরিন আক্তার জাহান, ইউএনওডিসির বাংলাদেশ অফিসার ইনচার্জ শাহ মোহাম্মদ নাহিয়ান ও ইউএনওডিসির ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট প্রফেসর ড. এএসএম আলী আশরাফ, কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. সাজিদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোছা, তাসলিমা খাতুন, বিশেষ পুলিশ সুপার রাশিদা বেগম, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার বিএম নুরুজ্জামানসহ খুলনা রেঞ্জ ও খুলনাস্থ অন্যান্য ইউনিটের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।