ভোলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৩ ২৩:৩৬ পিএম
আপডেট : ১৫ মে ২০২৩ ০০:০৮ এএম
রবিবার বিকালে ভোলার নদী এলাকার চিত্র। প্রবা ফটো
ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় মোখার কবল থেকে রক্ষা পেল দ্বীপ জেলা ভোলা। রবিবার (১৪ মে) রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত জেলার কোথাও কোনো ধরনের অনাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। মানুষের বড় ধরনের কোনো জানমালের ক্ষয়-ক্ষতিও হয়নি। ভারী কোনো বর্ষণ হয়নি। বাতাসের তীব্রতাও ছিল স্বাভাবিক। আবহাওয়া অফিস বলছে, মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর পানি ৩ থেকে ৪ ফুট বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে এতে জলোচ্ছ্বাসের কোনো আশঙ্কা নেই।
ভোলা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মো. মাহবুবুর রহমান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মাহবুবুর রহমান জানান, রবিবার (১৪ মে) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে মোখা বাংলাদেশ অতিবাহিত করে মিয়ানমারে চলে গেছে। এতে কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ভোলায় কোনো ধরনের প্রভাব পড়েনি। আগামীকাল সোমবার থেকে জেলায় কিছুটা বৃষ্টিপাত হতে পারে। মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর পানি ৩ থেকে ৪ ফুট বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে এতে জলোচ্ছ্বাসের কোনো সম্ভবনা নেই। রাতের মধ্যে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত উঠিয়ে নেওয়া হবে।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আল-আমীন জানান, মোখার প্রভাবে জেলার কোথাও বেড়িবাঁধের কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ভোলা জেলার সহকারী পরিচালক মো. শহীদুল ইসলাম জানান, ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব শেষ হলেও বিআইডব্লিউটিসির কাছ থেকে নৌ-যান চলাচলের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। আগামীকাল সোমবার সকালে অনুমতি দেওয়া হবে।
ভোলা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রিপন কুমার সাহা জানান, জেলার বিভিন্ন উপজেলার আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে চরাঞ্চলের যেসব বাসিন্দা এসেছিরেন, রবিবার সন্ধ্যার আগেই তারা তাদের বসতভিটায় ফিরে গেছেন। জেলায় ঘূর্ণিঝড় মোখার যে প্রভাব থাকার আশঙ্কা করা হয়েছিল, তা হয়নি। ফলে এ জেলায় কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। সৃষ্টিকর্তা মোখার কবল থেকে ভোলাকে রক্ষা করেছেন।