বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৩ ১৫:৪৫ পিএম
আপডেট : ১০ মে ২০২৩ ১৬:১৮ পিএম
নিহত স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী নাহিদ আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাহিদ হাসান হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ মে) রাতে নিহত নাহিদের বাবা ঝন্টু শেখ এ মামলা করেন।
মামলায় রতন, রনি, রবিনসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ ও ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে আসামি করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে এসব তথ্য জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা স্টেডিয়াম ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর হরিদাস মণ্ডল।
এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে শহরের মালগ্রাম ডাবতলায় পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ নাহিদ হাসানকে কুপিয়ে হত্যা করে। নাহিদ ওই এলাকার মাছ ব্যবসায়ী ঝন্টু শেখের ছেলে। নাহিদ শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং একটি বেসরকারি ব্যাংকের এজেন্ট শাখায় কর্মরত ছিলেন।
ঘটনাস্থলে থাকা নিহত নাহিদের বন্ধু ভিক্কু বলেন, ‘রাত ৮টার দিকে ডাবতলা এলাকায় সাদাফ ছাত্রাবাসের পেছনে নাহিদসহ ৭/৮ জন মিলে আড্ডা দিচ্ছিলাম। হঠাৎ স্থানীয় ১০ থেকে ১২ জন দেশীয় অস্ত্র হাতে এসে বলে কেউ কোনো রকম দৌড়াদৌড়ি করবি না; বলেই জুম্মন এবং কানশা মনির দা দিয়ে নাহিদকে কোপাতে থাকে। এতে নাহিদের হাত, পেট এবং পায়ে গুরুতর জখম হয়। পরে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে নাহিদ মারা যান।’
নাম না প্রকাশের শর্তে পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, মালগ্রাম এলাকায় একটি পুকুরের পাশে ইট ফেলানোকে কেন্দ্র করে রতনের সঙ্গে নাহিদের বিরোধ ছিল। অপরদিকে রনি এবং রবিনের সঙ্গেও বগুড়ার স্থানীয় একটি মার্কেটে আধিপত্য বিস্তার নিয়েও ঝামেলা চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই নাহিদকে হত্যা করা হয়েছে।'
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হরিদাস মণ্ডল বলেন, 'নাহিদ হত্যাকাণ্ডে মামলা হয়েছে৷ বগুড়া সদর থানায় মামলা নম্বর ৩৩। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। আশা করছি খুব শিগগিরই আসামিরা গ্রেপ্তার হবে।
এ ছাড়া মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।