× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

গভীর নলকূপ থেকে বের হচ্ছে গরম পানি

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৩ ২১:৪৮ পিএম

আপডেট : ০৬ মে ২০২৩ ২২:০৭ পিএম

প্রবা ফটো

প্রবা ফটো

নিরাপদ পানির আশায় গভীর নলকূপ স্থাপন করেছিলেন সাহাব উদ্দিন। কিন্তু সেটি থেকে বের হচ্ছে গরম পানি। শুরুর দিকে সব ঠিক থাকলেও তিন বছর ধরে পানি বেশ গরম অনুভূত হচ্ছে। 

সাহাব উদ্দিন গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ী (গিলারচালা) এলাকার বাসিন্দা। তার গভীর নলকূপ থেকে গরম পানি বের হওয়ার কারণ জানতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ছাড়াও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরেজমিনে পরীক্ষা-নিরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। 

শনিবার (৬ মে) সরেজমিনে ঘটনাস্থলে দেখা যায়, আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা ওই বাড়িতে গিয়ে ভিড় করেছেন। অনেকে টিউবওয়েল থেকে বের হওয়া গরম পানি হাতে নিয়ে ছুঁয়ে দেখছেন। 

স্থানীয় বাসিন্দা বুলবুল জানান, ২৬০ ফুট গভীর নলকূপ থেকে গরম পানি বের হচ্ছে। তবে কেন ও কী কারণে এমনটি হচ্ছে, সেটি কেউ বলতে পারছে না।

একই এলাকার আরিফ হোসেন জানান, সাহাব উদ্দিনের নলকূপ থেকে গরম পানি বের হয়। বাড়ির ভাড়াটিয়ারা এটি ব্যবহারের কয়েক ঘণ্টা আগে একটি পাত্রে রেখে দেন। পরে ঠান্ডা হলে ব্যবহার করে। এই পানি অনেকটা পিচ্ছিল, সাবানের পানির মতো। গন্ধও কিছুটা আলাদা। 

সাহাব উদ্দিনের ছেলে কাউসার জানান, প্রায় ১৫ থেকে ১৬ বছর আগে বসতঘরের সামনে তার বাবা গভীর নলকূপ স্থাপন করেন। কিন্তু একপর্যায়ে সেটি থেকে নিয়মিত গরম পানি বের হতে থাকে। সুপেয় ঠান্ডা পানির আশায় প্রায় আট বছর আগে পাঁচ হাত দূরে আবারও একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়। সেটি থেকে প্রথম দিকে ঠান্ডা পানি বের হলেও তিন বছর ধরে গরম পানি বের হচ্ছে। 

বাড়ির ভাড়াটিয়া মোসাম্মৎ নাসিমা আক্তার মিমি জানান, তিনি পাঁচ বছর ধরে এখানে ভাড়া থাকেন। আগে পানি ভালো ছিল। তিন বছর ধরে গরম পানি বের হওয়ায় তা ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এ পানি দিয়ে গোসল করা যায় না। পানি ব্যবহার করলে শরীর চুলকায়, মাথার চুল পড়ে যায়। হাতমুখ ধুয়ে স্বস্তি পাওয়া যায় না। পানি ঠান্ডা করে ব্যবহার করতে হয়। আবার ফ্রিজে রাখা হলে সে পানি দিয়ে গোসল করলে ঠান্ডা লেগে যায়। 

সাহাব উদ্দিন বলেন, প্রথমে বসতঘরের সামনে ২২০ ফুট গভীর নলকূপ স্থাপন করে পানি ব্যবহার করছিলাম। হঠাৎ করে পানির অস্বাভাবিক রঙ ধরা পড়ে এবং হালকা গরম পানি বের হতে থাকে। পরে পাঁচ হাত দূরে ২৬০ ফুট গভীর আরেকটি নলকূপ স্থাপন করি। প্রথম দিকে সব ঠিক থাকলেও তিন বছর আগে থেকে কুসুম গরম পানি আসা শুরু হয়। ফলে ঠান্ডা করে এটি ব্যবহার করতে হয়। এজন্য বাড়িতে ভাড়াটিয়া আসে না। যারা আছে তারাও বাসা খুঁজছে।’ 

তিনি বলেন, ’বাড়ির পাশেই প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ডাইং প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে। বিষয়টি অবগত করলে তারা সমাধানের আশ্বাস দেন। জানান, তাদের নিজস্ব প্রকৌশলী এসে দেখবেন। কিন্তু তিন বছরেও কোনো সমাধান মেলেনি।’ 

স্থানীয় পরিবেশকর্মী খোরশেদ আলম বলেন, ’গরম পানি বের হওয়ার খবরে পানি সংগ্রহ করে বেসরকারি কয়েকটি দপ্তরে পাঠিয়েছি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।’ 

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী ফয়সাল খান জানান, বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তিনি জানতে পেরেছেন। রবিবার অফিস সময়ে তিনি বিষয়টি দেখবেন। 

তিনি বলেন, তার দপ্তর শুধু আর্সেনিক পরীক্ষা করতে পারবে। ফলে বাড়ির মালিক সাহাব উদ্দিনকে গরম পানির বিষয়টি ব্যক্তিগত উদ্যোগে ল্যাবে পরীক্ষা করতে হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা