গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৩ ১৪:৩৮ পিএম
আপডেট : ০৬ মে ২০২৩ ১৬:৩১ পিএম
বাস মালিক সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত একজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। প্রবা ফটো
গোপালগঞ্জে বাস মালিক সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেল ও দোকান ভাঙচুর করা হয়। শুক্রবার (৫ মে) রাতে শহরের কুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘আগামী ২০ মে গোপালগঞ্জ জেলা বাস মালিক সমিতির নির্বাচন
অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে ইলিয়াস-লিটন পরিষদে সভাপতি পদে শেখ ইলিয়াস হোসেন ও সাধারণ
সম্পাদক পদে শেখ মুশফিকুর রহমান লিটন এবং মাসুম-কামিল পরিষদে সভাপতি পদে মাসুম সিকদার
ও সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ কামিল সারোয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শুক্রবার ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্দের নির্ধারিত দিন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মনোনয়ন প্রত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে ইলিয়াস-লিটন পরিষদের সমর্থকদের সঙ্গে মাসুম-কামিল পরিষদের সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটি হয়। এর জের ধরে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। কয়েকটি মোটরসাইকেল ও দোকান ভাংচুর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত সাতজনকে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
কামিল-মাসুম সমর্থক আহত মো. হিসাম বলেন, ‘হঠাৎ করে ইলিয়াস-লিটনের সমর্থকরা হামলা চালিয়ে আমার মোটরসাইকেল ভাংচুর করে। এ সময় আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।'
কামিল-মাসুম সমর্থক বাস মালিক শফিবুল ইসলাম বলেন, 'শুক্রবার ছিল প্রতীক বরাদ্দের নির্ধারিত দিন। প্রতীকও বরাদ্দ হয়। পরে রাতে হঠাৎ করে ইলিয়াস-লিটনের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কামিল–মাসুম পরিষদের সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। এ সময় ইলিয়াস-লিটনের সমর্থকরা গুলি করেছে।'
ইলিয়াস-লিটন সমর্থক আহত টুটুল বলেন, ‘কামিল-মাসুম সমর্থকরা ইলিয়াস-লিটনের সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। তারা কুপিয়ে আমাদের আহত করে। এমনকি আমাদের লক্ষ করে গুলি করেছে।'