গাজীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৩ ২০:৩৯ পিএম
আপডেট : ০৪ মে ২০২৩ ২১:২৬ পিএম
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। ছবি : সংগৃহীত
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের (জিসিসি) সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম আপিলেও মনোনয়ন ফিরে পাননি। এবার প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে আপিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার যে আদেশ দিয়েছেন, সেটার বিপক্ষে রবিবার উচ্চ আদালতে (হাইকোর্টে) যাব। সেখানে আমি আপিল করব। আশা করি, সেখানে মনোনয়ন ফিরে পাব।’
জিসিসির রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় কমিশন কার্যালয়ে জাহাঙ্গীর আলমের আপিলের শুনানি হয়। পরে বিকালে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. সাবিরুল ইসলাম তার আবেদন নাকচ করেন।
তিনি বলেন, ‘গত মঙ্গলবার বাছাইয়ে বাদ পড়া মোট সাতজন প্রার্থী মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করেন। তাদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম, একজন সংরক্ষিত কাউন্সিলর ও পাঁচজন সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরপ্রার্থী ছিলেন।’
আপিলের শুনানিতে দুজন আইনজীবীসহ জাহাঙ্গীর আলম নিজে উপস্থিত ছিলেন। শুনানিতে তারা পুনঃতফসিলিকরণের জন্য টাকা জমা দেওয়া এবং জামিনদার খেলাপি হয় না বলে দাবি করেন। কিন্তু শুনানিতে উপস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি জানান, আপিলকারীরা ব্যাংকের আইন অনুযায়ী এখনও ঋণখেলাপি। জাহাঙ্গীর আলম যে প্রতিষ্ঠানের ঋণের জামিনদার, সে ঋণ এখনও পুনঃতফসিলিকরণ হয়নি। এ সময় ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাহাঙ্গীর আলম মনোনয়নপত্র জমাদানের সময় ঋণখেলাপি ছিলেন। তাই পরে টাকা জমা দিলেও তিনি খেলাপি।
উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সাবিরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর আলমের মনোনয়ন বাতিল করে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া আদেশ বহাল রাখেন। এ সময় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কাউন্সিলর পদে একজন প্রার্থীর টাকা জমার রসিদে কোড নম্বর ভুল থাকায় বাতিল হওয়া মনোনয়নটি বৈধ ঘোষণা করেন।
৩০ এপ্রিল মেয়রপ্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিন বাতিল হয় জাহাঙ্গীরের মনোনয়নপত্র। কারণ হিসেবে রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম জানান, তিনি ঋণখেলাপির জামিনদার হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরে জাহাঙ্গীর আলম নির্বাচন কার্যালয়ের বিভাগীয় অফিসে আপিল করেন।