× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মাদরাসা কর্তৃপক্ষের ভুলে দাখিল পরীক্ষা অনিশ্চিত সুমাইয়ার

পঞ্চগড় প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৩ ২২:৩০ পিএম

সংগৃহীত ফটো

সংগৃহীত ফটো

মাস তিনেক আগে দাখিল পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করেছিলেন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শিলাইকুঠি বালাবাড়ি দাখিল মাদরাসার ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার। ফরম পূরণের জন্য মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে ২ হাজার ৫০০ টাকা দিয়েছেন তিনি। এরপর পরীক্ষার জন্য দিনরাত পড়াশুনা করে প্রস্তুতি নেন সুমাইয়া। 

কিন্তু শনিবার (২৯ এপ্রিল) প্রবেশপত্র আনতে গিয়ে বাধে বিপত্তি। কারণ তার নামে কোনো প্রবেশপত্র আসেনি। পরে জানতে পারেন, তার ফরম পূরণই করেনি মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। তার বদলে ভুল করে দুই বছর আগে বিয়ে হয়ে লেখাপড়া বন্ধ হওয়া সুরাইয়া নামের এক ছাত্রীর ফরম পূরণ করা হয়েছে। পরীক্ষার একদিন আগে এমন ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন সুমাইয়া।

সুমাইয়া জানান, প্রবেশপত্রের জন্য অন্যদের মতো মাদরাসার কর্তৃপক্ষকে ৫০০ টাকাও দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের ভুলে তার এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি জানাজানি হলে তার পরিবারসহ স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সুমাইয়ার বড় বোন মোর্শেদা আক্তার বলেন, ‘প্রবেশপত্র আনতে গিয়ে যখন জানতে পারে তার (সুমাইয়ার) ফরম পূরণই হয়নি- তখন সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। এখন যদি কোনো অঘটন ঘটিয়ে ফেলে, এর দায় কে নেবে? যে টাকা দিয়েছে তার ফরম পূরণ না করে, যে লেখাপড়া বন্ধ করে দিয়েছে তার নামে পূরণ করা হয়েছে। ফরম পূরণ হয়েছে কয়েক মাস আগে, এর মধ্যেও তারা ভুল ধরতে পারেনি। প্রবেশপত্র আসার পরেও টাকা নেওয়ার জন্য তা খুলে দেখেনি।’ 

সুমাইয়া আক্তার বরেন, ‘পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ। স্বপ্ন দেখেছিলাম দাখিল পরীক্ষা দিয়ে উচ্চ শিক্ষিত হয়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়বো। বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফোঁটাবো। এবার সে আশা আর পূরণ হচ্ছে না। আমি পরীক্ষা দিতে চাই। সুপার হুজুরসহ সকলের কাছে অনুরোধ আমি যেন পরীক্ষা দিতে পারি। তারা যেন সে ব্যবস্থাই করেন।’

মাদরাসার সুপার বদরুল আলম সরকার বলেন, ‘সুমাইয়ার পরিবর্তে ভুলক্রমে সুরাইয়া নামের এক ছাত্রীর ফরম পূরণ হয়েছে। আজকেই (শনিবার) বিষয়টি জানতে পেরেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। দেখি কি করা যায়।’ এ ভুলের দায়ভার কার- এমন প্রশ্নের কোন উত্তর দেননি এই প্রতিষ্ঠান প্রধান। 

জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শওকত আলী বলেন, ‘এটি প্রতিষ্ঠান প্রধানের গাফিলতি। প্রবেশপত্র এসেছে অন্তত দুই সপ্তাহ আগে। এই শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে না পারলে এর দায়-দায়িত্ব প্রতিষ্ঠান প্রধানের। আমি সুপারকে নির্দেশ দিয়েছি যেভাবেই হোক ওই শিক্ষার্থী যেন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা