পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৩ ১১:০৫ এএম
আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০২৩ ১৬:০০ পিএম
সম্প্রতি কর্ণফুলীতে বিনোদনকেন্দ্র ও শিশুপার্ক নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন ইউএনও মামুনুর রশিদ। প্রবা ফটো
২০১৬ সালে পটিয়া থেকে পৃথক করে পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠন করা হয় চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলা। এরপর ২০১৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু হয়।
দুই লাখ তিন হাজার মানুষের বসতি কর্ণফুলী উপজেলায় কোনো বিনোদনকেন্দ্র কিংবা শিশুপার্ক নেই। উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের খিলপাড়া এলাকার আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে উদ্ধার হওয়া পাঁচ একর জায়গায় গড়ে উঠছে বিনোদনকেন্দ্র ও শিশুপার্ক। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পিযুষ কুমার চৌধুরী এ জমি উদ্ধার করেন। দীর্ঘদিন ধরে জমিটি একটি চক্র দখল করে রেখেছিল।
শিশুপার্ক ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তুলতে উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রাথমিকভাবে ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে শিশুপার্কের বেশকিছু রাইডস স্থাপনের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি এর নির্মাণকাজ পরির্দশন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামুনুর রশিদ ও চেয়ারম্যান মো. দিদারুল আলম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বড়উঠান ইউনিয়নের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা তৌহিদুল আলম, নারী ইউপি সদস্য জোবাইদা আকতার মিতুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
বড়উঠান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল আলম বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৩০ লাখ টাকা প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ দিয়ে কর্ণফুলীতে বিনোদনকেন্দ্র ও শিশুপার্ক নির্মাণের কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে শিশুপার্কের জন্য বিভিন্ন রাইডসও আনা হয়েছে। এ বিনোদনকেন্দ্রটি বড়উঠান ইউনিয়ন ছাড়াও পার্শ্ববর্তী আনোয়ারা উপজেলার বাসিন্দাদের বাড়তি আনন্দ জোগাবে।’
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী বলেন, ‘কর্ণফুলীতে একটি পরিকল্পিত ও নান্দনিক শিশুপার্ক ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তুলতে কাজ শুরু হয়েছে। এর জন্য ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে প্রাথমিকভাবে কাজ শুরু হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থায়নে পর্যায়ক্রমে এ বিনোদনকেন্দ্রের উন্নয়ন করা হবে।’
ইউএনও মামুনুর রশিদ জানান, দখলমুক্ত করার পর ৬ দশমিক ১০ একর জায়গার মধ্যে কিছু জায়গায় আশ্রয়ণ প্রকল্প, খেলার মাঠ ও উপজেলা প্রশাসনের অধীনে কবরস্থান নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়াও প্রায় পাঁচ একর জায়গায় শিশুপার্ক ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে উপজেলার শিশু-কিশোররা বিনোদনের একটি সুন্দর পরিবেশ পাবে।