নোয়াখালী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৩ ২০:৩৫ পিএম
আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০২৩ ২০:৫৫ পিএম
মাদক পাচার মামলায় ২০০৯ সালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল কুদ্দুসকে গ্রেপ্তার। প্রবা ফটো
মাদক পাচার মামলায় ২০০৯ সালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল কুদ্দুসকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে ওই আসামি ১৪ বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেরিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) বিকালে নোয়াখালী জেলা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে একই দিন ভোর সাড়ে ৫টায় নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার ইটাখোলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১১-এর সিপিসি-৩ নোয়াখালীর সদস্যরা।
আব্দুল কুদ্দুস নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার পশ্চিম আহম্মদপুর গ্রামের আবদুল হাইয়ের ছেলে।
মামলার বরাতে র্যাব জানায়, ২০০৯ সালের ১০ অক্টোবর বেনাপোল সীমান্ত এলাকা থেকে কার্গো গাড়িতে করে অভিনব কায়দায় ২ হাজার ২৪৬ বোতল ফেনসিডিল পাচারের সময় দুই সহযোগী আবুল কালাম ও গোলাম মাওলাসহ আব্দুল কুদ্দুসকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৬। পরে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়।
মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে আসামিদের জরিমানাসহ মৃত্যুদণ্ড দেন যশোর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মোস্তফা কামাল। এদিকে দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করলেও দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন আব্দুল কুদ্দুস।
র্যাব-১১-এর সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ’তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল কুদ্দুসকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পেশায় কার্গো ড্রাইভার। ২০০৯ সালের একটি মাদক মামলায় দুই সহযোগীসহ আব্দুল কুদ্দুসকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। বিকালে জেলা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।