নেত্রকোণা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৩ ২১:০১ পিএম
আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০২৩ ২১:১৬ পিএম
খাদ্যগুদাম থেকে অবৈধভাবে বিক্রয় হওয়া ৩৫৪ বস্তা চাল জব্দ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। ছবি : সংগৃহীত
নেত্রকোণার খালিয়াজুরী উপজেলা খাদ্যগুদাম থেকে অবৈধভাবে বিক্রয় হওয়া ৩৫৪ বস্তা (প্রায় সাড়ে ১৭ টন) চাল জব্দ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এ ঘটনায় লুৎফুর মিয়া নামে এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুয়েল সাংমা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) রাতে পৌনে ১১টার দিকে খালিয়াজুরীর রসুলপুর ঘাটে এগুলো জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি বলে জানান তিনি। তবে চাল উদ্ধারের ঘটনায় খাদ্য কর্মকর্তা ও উপজেলা চেয়ারম্যানের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, উপজেলা খাদ্যগুদাম থেকে ১৭ টন ৫৫৪ কেজি সরকারি চাল শুক্রবার রাতে বের করে ওই উপজেলার রসুলপুর ধনু নদের ঘাটে নেওয়া হয়। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে প্রশাসনকে জানায়। পরে খবর পেয়ে খালিয়াজুরীর সহকারি কমিশনার (ভূমি) সামিন সারোয়ার রসুলপুর ঘাটে গিয়ে চালগুলো জব্দ করেন।
সামিন সারোয়ার বলেন, সরকারি গুদামের বিতরণের জন্য নির্ধারিত চাল ক্রয়-বিক্রয়ের অনুমতি না থাকায় তা জব্দ করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে যে ব্যবসায়ীর কাছে চালগুলো পাওয়া গেছে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
খালিয়াজুরী উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা রুবাইদুর রানা বলেন, চালগুলো টিআর কাবিখার। এগুলো উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিচ্ছিলেন। শুক্রবার বিকালে এগুলো বের করা হয়েছে। নির্ধারিত ডিওর মাধ্যমে চালগুলো বের হয়েছে। তারা বের করে কী করবে আমরা তা জানি না।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রাব্বানি জব্বার বলেন, এই চালের ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। তবে শুনেছি এগুলো কাবিখা প্রকল্পের চাল। প্রকল্পের সভাপতিরা তুলে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছিলেন।
খালিয়াজুরী থানার ওসি খায়রুল বাশার বলেন, এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে প্রশাসন। থানায় কোনো অভিযোগ বা মামলা হয়নি।