× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বম ও খেয়াংপাড়া জনশূন্য, পৈতৃক ভিটা ছেড়েছে আরও ৯৩ পরিবার

বান্দরবান প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৩ ২০:২৮ পিএম

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০২৩ ২৩:৩৮ পিএম

রবিবার বম ও খেয়াং সম্প্রদায়ের আরও ৯৩টি পরিবার রোয়াংছড়ি উপজেলা ও বান্দরবান জেলা সদরে আশ্রয় নিয়েছেন। প্রবা ফটো

রবিবার বম ও খেয়াং সম্প্রদায়ের আরও ৯৩টি পরিবার রোয়াংছড়ি উপজেলা ও বান্দরবান জেলা সদরে আশ্রয় নিয়েছেন। প্রবা ফটো

বান্দরবানের রোয়াংছড়ির খামতাংপাড়ায় ঘটে যাওয়া বন্দুকযুদ্ধে হতাহতের ঘটনার পর থেকে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জীবন বাঁচাতে তারা পৈতৃক ভিটা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছেন। রবিবার (৯ এপ্রিল) বম ও খেয়াং সম্প্রদায়ের আরও ৯৩টি পরিবার উপজেলা ও জেলা সদরে আশ্রয় নিয়েছেন।

তাদের মধ্যে ২০টি পরিবারের ৬৪ জন রুমা সদরের বম সোশ্যাল কাউন্সিলে, ৪৯টি পরিবারের ১৯২ জন রোয়াংছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং ৬২টি পরিবারের ২১০ জন রোয়াংছড়ি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন।

রোয়াংছড়িতে আশ্রয় নেওয়া মুন সাং বম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ’সকালে পাইংক্ষ্যংপাড়া থেকে হেঁটে ৯২টি বম সম্প্রদায়ের ও একটি মারমা পরিবার রোয়াংছড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। দুপুরে তারা রোয়াংছড়ি এসে পৌঁছান।’

পাইংক্ষ্যংপাড়ার কার্বারি (পাড়াপ্রধান) পিটার বম বলেন, ’পাড়ার ৬২টি পরিবারের প্রথম দলটি রোয়াংছড়ি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছেছে। সেখান থেকে আরও মানুষ এখানে আসছে।’

মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া সামং থান বম জানান, ৩১টি পরিবার উপজেলা ও জেলা সদরে বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। পার্শ্ববর্তী ক্যপ্লংপাড়ার ৩২টি পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য রোয়াংছড়ি সদরে আসছে। তারা রাতে রোয়াংছড়ি সদরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহ্লা অং মারমা বলেন, ’উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় রোয়াংছড়ি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রোয়াংছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যারা আশ্রয় নিয়েছেন, তাদের জন্য খাবার, কাপড়সহ প্রয়োজনীয় সব কিছু ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ 

রোয়াংছড়ি ও রুমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, ’খামতাংপাড়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ ৮ মরদেহ উদ্ধারের পর ভয়ে আশপাশের কয়েকটি পাড়া থেকে ৪৬৬ জন রোমা ও রোয়াংছড়ি সদর এলাকায় আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের মধ্যে রোমাতে ৬৪ জন, রোয়াংছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে খেয়াং সম্প্রদায়ের ১৯২ ও বম সম্প্রদায়ের ২১০জন আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের খাবার, চিকিৎসা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) রোয়াংছড়ির খামতাংপাড়া এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় জীবন বাঁচাতে স্থানীয়রা পার্শ্ববর্তী রোমা উপজেলা ও রোয়াংছড়ি সদরে পালিয়ে যায়। পরদিন সকালে উপজেলার খামতাংপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকার জঙ্গলে ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় গুলিবিদ্ধ আটটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান হাসপাতালে পাঠায়। নিহতরা সবাই বম সম্প্রদায়ের মানুষ।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা