× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে প্রণোদনার সার ও বীজ উদ্ধার, মামলা

রংপুর অফিস

প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২৩ ২২:৩৮ পিএম

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২৩ ২৩:৩৯ পিএম

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধারকৃত  প্রণোদনার বীজ ও সার   প্রবা ফটো।

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধারকৃত প্রণোদনার বীজ ও সার প্রবা ফটো।

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ কৃষি প্রণোদনার ধানবীজ ও সার উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আলমগীর হোসেন ওরফে ভাঙ্গারী আলম নামের ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে এসব ধানবীজ ও সার উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান ওইদিন রাতেই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। 

শুক্রবার (৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) মমতাজুল হক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সরকারি প্রণোদনার বীজ ও সার উদ্ধারের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এর সঙ্গে যে-ই জড়িত থাক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গঙ্গাচড়া থানা পুলিশ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার গুদাম থেকে দুটি ভ্যানে করে ১২ বস্তা সার ও ১৪ বস্তা ধানবীজ উপজেলা পরিষদের সামনে দিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বীজ ও সার বহনকারী ভ্যান দুটি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রুহুল আমিনের চোখে পড়ে। বিষয়টি সন্দেহ হলে তিনি ভ্যান দুটি আটক করেন এবং চালকদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। প্রশ্নের সদুত্তর না পাওয়ায় তিনি ভ্যানচালকদের ইউএনওর কার্যালয়ে নিয়ে যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তর (ইউএনও) কার্যালয়ে ভ্যানচালক মিঠু মিয়া ও শরিফুল ইসলাম জানান, সার ও ধানবীজ কৃষকের নয়। এগুলো কৃষি অফিস থেকে নেওয়ার জন্য ব্যবসায়ী আলমগীর পাঠিয়েছেন।

ইউএনও নাহিদ তামান্না ঘটনাটি গঙ্গাচড়া থানা পুলিশকে জানান। পরে সন্ধ্যায় গঙ্গাচড়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মমতাজুল ইসলামের নেতৃত্বে আলমগীরের গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের মুন্সিপাড়ার বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তার একটি ঘর থেকে খড় দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় আরও ১৫৩ বস্তা উফশী জাতের ধানবীজ ও এক বস্তা পাটবীজ উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের খবরে আলমগীর মিয়াসহ বাড়ির লোকজন পালিয়ে যান। বাড়ি ও ভ্যান থেকে মোট ১৬৭ বস্তা উফশী জাতের ধান (প্রতি বস্তা ১০ কেজি), এক বস্তা পাটবীজ (পরিমাণ জানা যায়নি) ও ১২ বস্তা (প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি) টিএসপি ও এমওপি সার উদ্ধার করা হয়। ধান ও পাটবীজের গায়ে লেখা ছিল বিক্রয়ের জন্য নহে।

গঙ্গাচড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম ও কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোত্তালেব মিঠু বলেন, ‘কৃষি অফিসের যোগসাজশ ছাড়া সরকারি বীজ ও সার পাচার হওয়া সম্ভব নয়। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।’ 

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মারুফা ইফতেখার সিদ্দিকার মোবাইলে ফোন দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

ইউএনও নাহিদ তামান্না বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে ধানবীজ কীভাবে ব্যবসায়ীর বাড়িতে গেল, তা নিয়েও তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা