চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২৩ ১৮:০৬ পিএম
আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২৩ ১৮:১৬ পিএম
ফটিকছড়ি উপজেলার জাফত নগর ইউনিয়নের 'খনখাইয়া খাল' খননকাজের উদ্বোধন করা হয়। প্রবা ফটো
'খনখাইয়া খাল'। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার জাফত নগর ইউনিয়নের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত। যা পার্শ্ববর্তী রাউজান উপজেলার নোয়াজিসপুর ইউনিয়নের তেলপাড়ই খালের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে। খালটি দীর্ঘদিন খনন না হওয়ায় ভরাট হয়ে হারিয়েছে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ। ফলে এতদঞ্চলের কয়েক হাজার একর কৃষিজমি অনাবাদি হয়ে পড়ে আছে। এ ছাড়া বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় দেখা দিত জলাবদ্ধতা। শুষ্ক মৌসুমে পানির তীব্র সংকট আর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো খালপাড়ের বাসিন্দাদের।
তাদের দুর্ভোগের বিষয়টি চিন্তা করে খাল খননে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) সকালে ফটিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান এইচএম আবু তৈয়ব আনুষ্ঠানিকভাবে 'খনখাইয়া খাল' খনন কাজের উদ্বোধন করেন। এ সময় বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী তমাল দাশ, উপসহকারী প্রকৌশলী দিপন চাকমা, ইউপি চেয়ারম্যান জিয়া উদ্দিন জিয়াসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
এইচএম আবু তৈয়ব বলেন, ’বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা এক ইঞ্চি কৃষিজমিও যাতে অনাবাদি না থাকে, সে লক্ষ্যে কৃষকদের সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণে ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।’
প্রায় ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (ইফাদ) অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এ খালের খননকাজ শেষ হবে আগামী জুন মাসে। খননকাজ শেষ হলে সেচের পানি সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। আশপাশের এলাকার প্রায় ২ হাজার একর কৃষিজমি চাষের আওতায় আসবে। এ ছাড়া বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কবল থেকে রক্ষা পাবে আশপাশের এলাকা।