নেত্রকোণা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০২৩ ১৭:৩৫ পিএম
আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২৩ ১৭:৫৫ পিএম
১৫ বছর পালিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না নেত্রকোণার কেন্দুয়া থানার চাঞ্চল্যকর একটি হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. রতন মিয়ার। প্রবা ফটো
১৫ বছর পালিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না নেত্রকোণার কেন্দুয়া থানার চাঞ্চল্যকর একটি হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. রতন মিয়ার। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (২৫ মার্চ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪, ময়মনসিংহের একটি অভিযাত্রিক দল।
মামলার বরাতে র্যাব জানায়, নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের সোহাগপুর পাড়া দেউলি গ্রামের মো. তোয়াজ্জেমের সঙ্গে একই গ্রামের মো. রতন মিয়ার জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এর জেরে ২০০৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আসামি রতন মিয়া, মো. ফারুক, মো. সাহেদ, মো. সুলতান ও আব্দুল কাদির তোয়াজ্জেমের দুই হাত ধরে রাখে এবং মো. বাবুল ছুরি দিয়ে গলায় কোপ দেয়। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তোয়াজ্জেমের মৃত্যু হয়।
ঘটনার ১১ দিন পর তোয়াজ্জেমের ছেলে আরিফ হাসান বাদী হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে কেন্দুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা ৬ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৬ এপ্রিল আসামি মো. বাবুলের মৃত্যুদণ্ড এবং মামলার বাকি আসামিদের যাবজ্জীবন ও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন আদালত।
র্যাব-১৪-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৫ বছর পর ওই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. রতন মিয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার চকচন্দ্রপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের পর আসামিকে জেলার কেন্দুয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন র্যাবের মিডিয়া অফিসার সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন।