সিলেট অফিস
প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৩ ২০:১২ পিএম
আপডেট : ২০ মার্চ ২০২৩ ২০:১৮ পিএম
জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ছবি : সংগৃহীত
দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে সিলেট বিআরটিএর দুই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন। সোমবার (২০ মার্চ ) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা এ দুই কর্মকর্তার প্রত্যাহার চেয়ে ডিসি মো. মজিবর রহমানের কাছে স্মারকলিপি দেন।
অভিযুক্ত কর্মকর্তারা হলেন-সিলেট বিআরটিএ সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) রিয়াজুল ইসলাম ও মোটরযান পরিদর্শক আব্দুল বারী।
সিলেট জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ময়নুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিমের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, সহ-সাধরণ সম্পাদক মো.মাহবুব মিয়া (মবু), সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাছনাত, কোষাধ্যক্ষ আব্দস শহিদ প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন, থ্রি হুইলার শ্রমিক ইউনিয়ন, অটো টেম্পু অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন ও সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন ঐক্য পরিষদের নেতারা।
শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন বলেন, বিআরটিএ একটি জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, অবৈধভাবে টাকা উপার্জনের জন্য এই দুই কর্মকর্তা ভুলে গেছেন তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। তারা টাকার মোহে বিধিবিধান উপেক্ষা করে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে বিআরটিএকে কসাইখানায় পরিণত করেছেন।
সহ-সাধরণ সম্পাদক মো.মাহবুব মিয়া অভিযোগ করেন, গত বছরের ২ অক্টোবর মেট্রো আরটিসির সভায় সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়- সিলেট জেলার ঠিকানায় রেজিস্ট্রেশনকৃত সিএনজি অটোরিকশার মালিকরা মেট্রো ঠিকানায় বদলি হতে পারবে না। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করেছেন সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) রিয়াজুল ইসলাম ও মোটরযান পরিদর্শক আব্দুল বারী। এ দুই কর্মকর্তা মেট্রো আরটিসির সিদ্ধান্ত ভঙ্গ করে মালিকানা বদলি করেছেন। আর এর বিনিময়ে প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশা থেকে ৫০ থেকে ৬০ হাজার করে হাতিয়ে নিচ্ছেন।
কোষাধ্যক্ষ আব্দস শহিদ বলেন, এই দুই কর্মকর্তা রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস, ড্রাইভিং লাইসেন্স, যানবাহনের মালিকানা বদলিসহ বিভিন্ন সেবা নেওয়ার সময় নানা অজুহাতে মালিক ও শ্রমিকদের হয়রানি করেন। গত তিন মাসে তারা আনুমানিক ১ হাজার সিএনজি-অটোরিকশার মালিকানা বদল করেছেন।