কামরুল ইসলাম, সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ)
প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৩ ১৩:০৪ পিএম
আপডেট : ১১ মার্চ ২০২৩ ১৩:২৭ পিএম
সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মোগরাপাড়ায় ইউটার্ন নির্মাণকাজ চললেও বিদ্যুতের খুঁটি সরানো নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। প্রবা ফটো
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনে নির্মাণ করা হচ্ছে ইউটার্ন। কিন্তু বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই এই নির্মাণকাজ চলছে।
১৪ কিলোমিটারের সড়কের মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি রয়েছে প্রায় ২৮৫টি। আর এ খুঁটি সরানো নিয়ে সড়ক ও বিদ্যুৎ বিভাগের মধ্যে চলছে রশি টানাটানি।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ বলছে, বিদ্যুৎ বিভাগ খুঁটি সরানোর কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। অন্যদিকে অর্থ বরাদ্দ না থাকায় বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষে এখন খুঁটি সরানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, ২০২৩ সালের জুন মাসে চলমান কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। কাজ শেষ হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১৪ কিলোমিটারে যানজট, দুর্ঘটনা ও দুর্ভোগ অনেকাংশে কমে যাবে। কম সময়ে চলাচল করা সম্ভব হবে। কিন্তু সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের মধ্যে খুঁটি নিয়ে টানাটানিতে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। রাস্তার মাঝখানে খুঁটি থাকায় ঠিকমতো রোলার দিয়ে মাটি ভরাট করা যাচ্ছে না।
নারায়ণগঞ্জ সওজ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে চারটি ইউটার্ন নির্মাণের জন্য সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ খাত থেকে বরাদ্দ দিয়েছে সওজ।
মোগরাপাড়া চৌরাস্তার সাদিপুরে গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কের মাঝখানে তারের খুঁটি পড়ায় রোলার করতে পারছেন না শ্রমিকরা। একই চিত্র দেখা যায় নয়াবাড়ি, কাঁচপুর ও মদনপুর এলাকায়। এই কারণে ট্রাক ও বাস চলাচলে দেখা দিয়েছে সমস্যা। চালকরা বলেছেন, মহাসড়কে ইউটার্নের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি থাকলে গাড়ি চলাচল করানো যায় না।
সড়কের কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ম্যানেজার সালাউদ্দিন বলেন, খুঁটি থাকায় সব জায়গায় রোলার নেওয়া যাচ্ছে না। খুঁটি সরিয়ে না নিলে কাজের মান ভালো হবে না।
নারায়ণগঞ্জ জেলার সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌলশী আবুল হোসেন বলেন, নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন করতে হবে। সময়মতো বিদ্যুৎ বিভাগ খুঁটি সরাতে না পারলে খুঁটিসহ রাস্তার কাজ শেষ করা হবে।