রাঙামাটি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৩ ২৩:১৭ পিএম
শুক্রবার রাঙামাটিতে বিভাগীয় বন কর্মকর্তাদের জন্য ছয় তলা অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন। প্রবা ফটো
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পাহাড়ি এলাকাগুলোতে ব্যাপকভাবে বনায়ন করা হবে। এখানকার জনগণকে নিয়ে সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে ইকো-ট্যুরিজম উন্নয়নের করা গেলে একদিকে যেমন জনগণ উপকৃত হবে, অন্যদিকে এখানকার প্রকৃতি ও পরিবেশ প্রাণ ফিরে পাবে।
শুক্রবার (১০ মার্চ) রাঙামাটিতে বিভাগীয় বন কর্মকর্তাদের জন্য ছয় তলা অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) পূরণে ২৫ শতাংশ বনভূমি প্রয়োজন। পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পাহাড় কাটায় যেই জড়িত থাকুক, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। পাহাড় প্রকৃতির আশীর্বাদ, এগুলো কাটলে জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়।
এসময় প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাস, রাঙামাটি অঞ্চলের বন সংরক্ষক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, গণপূর্ত বিভাগের রাঙামাটি সার্কেল তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কিউ এম মো. শাহজালাল মজুমদার, গণপূর্ত বিভাগের রাঙামাটি নির্বাহী প্রকৌশলী অনিন্দ্য কৌশলসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রী কাপ্তাই লেকের ইকো-ট্যুরিজম সম্ভাবনা ও জীববৈচিত্র্য যাচাইয়ের লক্ষ্যে বরকল উপজেলার ফরেস্ট অফিস পরিদর্শন করেন। এ ছাড়া, কাপ্তাই প্রশান্তি পার্কে বন্য হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সোলার ফ্রান্সিং প্যানেলের উদ্বোধন ও বন্য হাতির আক্রমণে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর করেন।