মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২১:২৭ পিএম
মৌলভীবাজারের প্রথম আন্তর্জাতিক চা জনগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি উৎসবে নিজস্ব সংস্কৃতির নৃত্য পরিবেশন করেন চা শ্রমিকরা। প্রবা ফটো
চা বাগানের ভাষা-সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও বিকাশের লক্ষ্যে মৌলভীবাজারে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, কেনিয়ার ভাষা-সংস্কৃতি প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে প্রথম আন্তর্জাতিক চা জনগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি উৎসব-২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) কমলগঞ্জে উপজেলার শমসেরনগর চা বাগান ফুটবল মাঠে দিনব্যাপী এ উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুর রহমান। শমসেরনগর, আলীনগর ও চাতলাপুর চা বাগানের (ফাঁড়িসহ) চা শ্রমিকরা এ উৎসবের আয়োজন করেন।
উৎসবে চা বাগানে বসবাসরত জনগোষ্ঠীকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হিসেবে গেজেটভুক্ত করা, চা বাগানের ভাষা ও সংস্কৃতির যথাযথ সংরক্ষণ ও বিকাশের জন্য ‘সংস্কৃতি একাডেমি’ প্রতিষ্ঠা ও মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা চালু করার দাবি জানানো হয়।
উৎসব আয়োজনের সমন্বয়কারী সীতারাম বীনের সভাপতিত্বে ও চা ছাত্র নেতা মোহন রবিদাসের সঞ্চালনায় আলোচনা পর্বে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন, ভারত সরকারের রাজ্যসভার সাংসদ আবীর রঞ্জন বিশ্বাস, নেপালের কাঠমুন্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক পূর্ণা বি. নেপালী, ভারতের আসাম সরকারের জনস্বাস্থ্য কারিগরী বিভাগের অভিযন্তা বিবেকানন্দ মোহন্ত, কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালের মার্কেটিং এজিএম অনুপ ভক্ত, পশ্চিমবঙ্গের বেথুয়াডহরি কলেজের অধ্যাপক রঞ্জন ব্যানার্জি, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দূর্যোগ, ত্রাণ ও ভূমি অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান রঞ্জিত সরকার, সর্বভারতীয় নমঃশূদ্র ও উদ্বাস্ত উন্নয়ন পরিষদের পর্যবেক্ষক ভোলানাথ বিশ্বাস, ভারতের সেন্ট মেরিজ কলেজের অধ্যাপক প্রধীপ অধিকারী, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সার্কেল) শহীদুল হক মুন্সী, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা রামভজন কৈরি, কমলগঞ্জ গণ মহাবিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ রসময় মহান্ত, লেখক ও গবেষক আহমদ সিরাজ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের ২য় অধিবেশনে বিকালে মুক্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা করেন ভারতের মুম্বাইয়ের বিশিষ্ঠ শিল্পী রাজেশ বৈঠে।