চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২০:১৬ পিএম
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২০:৪০ পিএম
ফাইল ফটো
ব্রাজিল থেকে দেশবন্ধু গ্রুপের চিনি নিয়ে আসা এমভি ট্রঅং মিন প্রসপারিটি জাহাজটি সাড়ে ৪ মাসেও ফিরে যেতে পারেনি। জাহাজটি থেকে চিনি খালাস শেষ না হওয়ায় ১৩১ দিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছে। এতে জাহাজটির পরিচালন ব্যয় বাবদ বড় ধরনের লোকসান গুনতে হচ্ছে দেশবন্ধু সুগার মিল লিমিটেডকে।
এমভি ট্রঅং মিন প্রসপারিটি জাহাজের লোকাল এজেন্ট জিএম শিপিংয়ের জেনারেল ম্যানেজার মো. ইউসুফ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘জাহাজটিতে এখনও ৫ হাজার টন চিনি আছে। ওই চিনির এলসি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাগজপত্রগুলো আমাদের হাতে আসেনি। ওই চিনি খালাস হলেই জাহাজটি ফিরে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘আশা করছি আগামী সপ্তাহের মধ্যে জাহাজটি ফিরে যেতে পারবে। কারণ বাকি ৫ হাজার টন চিনি এই সপ্তাহের মধ্যে খালাস করা সম্ভব হবে।’
এর আগে ২০২২ সালের ১৮ অক্টোবর ব্রাজিল থেকে ৫৫ হাজার টন চিনি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আসে জাহাজটি। চুক্তি অনুযায়ী, ২২ দিনের মধ্যেই জাহাজ থেকে সবগুলো চিনি খালাসের কথা ছিল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের। ১৩১ দিন পার হলেও জাহাজটি থেকে চিনি খালাস শেষ হয়নি। লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) জটিলতার কারণেই জাহাজ থেকে চিনি খালাস শেষ করা যায়নি বলে জানিয়েছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান দেশবন্ধু সুগার মিল লিমিটেড।
সময়মতো চিনি খালাস করতে না পারায় প্রতিষ্ঠানটিকে গড়ে প্রতিদিন ক্ষতিপূরণ গুনতে হচ্ছে ২৫ হাজার ডলার (২৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা)।
মো. ইউসুফ বলেন, ‘চুক্তি অনুযায়ী এমভি ট্রঅং মিন প্রসপারিটি জাহাজ থেকে প্রতিদিন ২ হাজার ৫০০ টন করে চিনি খালাসের কথা ছিল। সেই হিসেবে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পর ২২দিনের মধ্যে খালাস শেষ করে চলে যাওয়ার কথা ছিল। ২২ দিনের পর থেকেই জাহাজটি যতদিন বহির্নোঙরে বসে থাকবে, তার জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ২৫ হাজার ডলার (২৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা) ক্ষতিপূরণ গুনতে হবে।’