কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২২ ২২:১৭ পিএম
আদালতে নেওয়ার সময় ছয় জেএমবি সদস্যে
কুড়িগ্রাম সদরের গড়েরপাড় এলাকার মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীকে হত্যা মামলায় ছয় জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটার দিকে বিচারক জেলা ও দায়রা জজ আব্দুল মান্নান এ রায় দেন।
রায় ঘোষণার সময় মামলার সাত আসামির মধ্যে পাঁচ আসামি রাজীব গান্ধী, রিয়াজুল ইসলাম ওরফে মেহেদী, ফিরোজ হাসান ওরফে মোখলেছ, মাহাবুব হাসান মিলন ও আবু নাছির ওরফে রুবেল উপস্থিত ছিলেন। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদের আদালতে হাজির করা হয়।
এছাড়া মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গোলাম রব্বানী পলাতক এবং আর এক আসামি সাদ্দাম হোসেন মামলা চলাকালিন সময়ে ‘বন্দুক যুদ্ধে’ নিহত হয়েছে।
২০১৬ সালের ২২ মার্চ সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে কুড়িগ্রাম শহরের বাড়ি থেকে বের হন ধর্মান্তরিত মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী। এ সময় জঙ্গিরা তাকে সড়কের উপর এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ককটেল বিস্ফোরণ করে পালিয়ে যায়। হোসেন আলীর ছেলে রহুল আমিন আজাদ বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার মোট ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ রায় দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি পাবলিক প্রসিকিউটর এসএম আব্রাহাম লিংকন জানান, জঙ্গিরা হোসেন আলীকে হত্যা করার কারণ হচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে সরকারকে বেকায়দায় ফেলানো। হত্যাকাণ্ড ঘটানোর জন্য জন্য জঙ্গিরা হোসেন আলীর বাড়ি ভাড়া নিয়ে, তার ছাদের নিচেই হত্যার ছক করেন। আসামীরা অনেক লোহমর্শক কথা স্বীকার করেছে।
রায় ঘোষণাকালে আদালতে আসামি পক্ষে ছিলেন লিগ্যাল এইড নিয়োজিত আইনজীবি অ্যাডভোকেট হুমায়ূন কবীর বলেন, আসামীদের উচ্চ আদালতে আপিল করা সুযোগ আছে। রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পেলে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন হয়তো।