× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ঘরে ভিনদেশি পুত্রবধূ, পরিবারজুড়ে আনন্দ

গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৯:৪২ পিএম

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৯:৫৬ পিএম

প্রেমিক চয়ন ইসলাম ইসলামের সঙ্গে বিয়ের পর জেনিফার স্ট্রায়াস। প্রবা ফটো

প্রেমিক চয়ন ইসলাম ইসলামের সঙ্গে বিয়ের পর জেনিফার স্ট্রায়াস। প্রবা ফটো

ঘরে ভিনদেশি পুত্রবধূ, তাতেও খুশি পরিবারের সদস্যরা। পরিবারজুড়ে চলছে আনন্দের বন্যা। পরিবারের সদস্যদের দিন কাটছে ভিনদেশি বধূকে নিয়ে। প্রেমের টানে জার্মানি থেকে প্রেমিকের কাছে গোপালগঞ্জ শহরে ছুটে এসেছেন জেনিফার স্ট্রায়াস।

রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে গোপালগঞ্জের একটি আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এতে হইচই পড়েছে পুরো এলাকায়। অনেকেই জার্মান পুত্রবধূকে দেখতে ছুটে আসছেন।

জার্মানির তরুণী জেনিফার স্ট্রায়াস ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে হযরত শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামে। পরে সেখানে তার প্রেমিক চয়ন ইসলাম ও তার স্বজনরা তাকে স্বাগত জানান। রাতেই তারা জেনিফারকে নিয়ে গোপালগঞ্জ শহরে চলে আসেন। পরে রবিবার সকালে পরিবারের লোকজন নিয়ে আদালতে গিয়ে তারা বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন।

প্রেমিক চয়নের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার জোতকুরা গ্রামে। তার ইতালিপ্রবাসী বাবা রবিউল ইসলামের সুবাদে তিনিও ইতালিতে যান। এর কিছু দিন পর ইতালি থেকে জার্মানিতে চলে যান। প্রায় পাঁচ বছর আগে জার্মান ভাষা শিখতে একটি শিক্ষা কোর্সে ভর্তি হন। সেখান থেকেই পরিচয় হয় জেনিফারের সঙ্গে। আর সেই পরিচয় থেকেই তাদের মধ্যে প্রেম হয়।

এরপর ২০২২ সালের ১০ মার্চ চয়ন বাংলাদেশে চলে এলেও তাদের মধ্যে প্রেমের কোনো টানাপড়েন হয়নি। ভালোবাসার টানে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে জেনিফার ছুটে আসে প্রেমিক চয়নের কাছে। গোপালগঞ্জে পৌঁছানোর পরে চয়নের স্বজনরা ফুল দিয়ে বরণ করে নেয় জেনিফারকে।

জেনিফার একজন মাধ্যমিক লেভেলের শিক্ষার্থী। জার্মানির বাইলেফেল্ড স্টেটে বাবা-মার সঙ্গেই বসবাস করেন। তার বাবার নাম জোসেফ স্ট্রায়াস ও মার নাম এসাবেলা স্ট্রয়াস।

চয়নের ভাগনি সানজিদা আক্তার সিমি বলেন, ‘জার্মানি থেকে আমাদের মামি এসেছে। সে দেখতে অনেক সুন্দর। আমরা অনেক খুশি। সারা দিন আমাদের মামিকে নিয়েই কেটে যাচ্ছে।’

চয়নের মা ঝর্ণা বেগম বলেন, ‘ভাবতেও পারিনি জেনিফার আমাদের সঙ্গে এত সহজে মিশে যেতে পারবে। বিদেশি বৌমাকে পেয়ে আমরা সবাই খুশি। অল্প সময়ের মধ্যেই সে সবাইকে খুব আপন করে নিয়েছে। গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আনন্দ-উৎসব করে আমরা নববধূকে সবাই বরণ করে নেব।’

বাবা জোসেফ ট্রায়াস মেয়ে জেনিফারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে চলছেন। এ বিয়েতে জেনিফারের বাবা-মাসহ পরিবারের সবাই খুব আনন্দিত।

জেনিফার তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘বাংলাদেশকে আমি ভালোবেসে খুশি হয়েছি। এখানকার পরিবেশ, আতিথেয়তা ও সবার ভালোবাসা আমাকে মুগ্ধ করেছে। পরিবারের সবাই আমাকে আপন করে নিয়েছে। সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে চলতে পেরে আমি ভীষণ খুশি হয়েছি।’

চয়ন ইসলাম বলেন, ‘আমি জার্মানিতে পড়াশোনা করার সময় জেনিফারের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে ভালোবাসা হয়। দীর্ঘ পাঁচ বছরের সম্পর্ক আমাদের মাঝে। আমি একটি চাকরি করতাম। সেখানে মালিকের সঙ্গে মনোমালিন্য হলে চাকরি ছেড়ে বাংলাদেশে চলে আসি। আমার ভালোবাসার টানে জেনিফার বাংলাদেশে চলে এসেছে। আমরা বিয়ে করেছি এতে আমার ও জেনিফার পরিবারের সবাই খুব খুশি হয়েছে।’


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা