পটুয়াখালী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৩ ১৫:২২ পিএম
আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০২৩ ১৬:০৯ পিএম
শুকনো মরিচের দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। প্রতি কেজি ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রবা ফটো
শুকনো মরিচের দাম বৃদ্ধিতে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। গত কয়েক মাস আগেও শুকনো মরিচ প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হতো। এখন দাম বেড়ে সেই মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা। এছাড়া নিম্নমানের শুকনা মরিচ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা দরে।
শনিবার (২৮ জানুয়ারি) পটুয়াখালীর গলাচিপায় পাইকারি ও বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে মরিচের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির এ চিত্র দেখা যায়।
পাইকারি মরিচ বিক্রেতারাও জানান, শুকনা মরিচের দাম এমন অস্বাভাবিক বৃদ্ধি আগে কখনো ঘটেনি।
পটুয়াখালীর গলাচিপায় মশলার আমদানিকারক আবদুল কাইউম বলেন, ‘বাংলাদেশের মরিচের বড় চাহিদা পূরণ হয় ভারত থেকে আমদানির মাধ্যমে। কিন্তু সম্প্রতি ভারত থেকে মরিচ আমদানি প্রায় বন্ধের পর্যায়ে। বিশেষ করে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি এবং ভারতে মরিচের ফলনে ধস নামায় দেশের চাহিদা অনুযায়ী মরিচ আমদানি হচ্ছে না। এর ফলে ভারতীয় শুকনা মরিচের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পাঁচ-ছয় মাস আগেও ভারতীয় মরিচ কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে এখন সেই মরিচের দাম ৩০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়।’
গলাচিপার মশলা ব্যবসায়ী রাসেদুল ইসলাম বলেন, ‘আগে বাজারের সবচেয়ে দামি মরিচ ছিল চরের মরিচ। এই মরিচ বিক্রি হতো ৩০০ টাকা কেজি। ভারত থেকে আমদানি করা মরিচ বিক্রি হতো ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। কিন্ত বর্তমানে ভারতীয় শুকনো মরিচ ৫০০ টাকা কেজি। চরের ভালো মরিচের কেজি ৫৬০ টাকা।’
পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, দেশে শুকনো মরিচের সবচেয়ে বেশি সরবরাহ হয় চট্টগ্রাম, পঞ্চগড়, কুমিল্লা ও ভোলাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে। দেশের মরিচের চাহিদার ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পূরণ করে এসব অঞ্চল। চাহিদার বাকি মরিচ আমদানি হয় ভারত ও মিয়ানমার থেকে। আমদানি কমে যাওয়ায় দেশে শুকনো মরিচের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে অস্বাভাবিকভাবে দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। মরিচের এই মূল্য কবে স্বাভাবিক হবে এই তথ্য সঠিক জানেন না ব্যবসায়ীরা।