দুই ওয়ার্ড কাউন্সিলরের মৃত্যু
বরগুনা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৩ ১৭:১৭ পিএম
বরগুনার আমতলী পৌরসভা। প্রবা ফটো
বরগুনার আমতলী পৌরসভার ২নং ও ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের মৃত্যুর সাড়ে তিন বছর পেড়িয়ে গেলেও পদ দুটি শূন্য ঘোষণা ও উপনিবার্চন হয়নি। কাউন্সিলর না থাকায় সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন ওয়ার্ড দুটির মানুষ।
২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মঞ্জুরুল ইসলাম সেলিম পঞ্চায়েত মারা গেছেন সাড়ে তিন বছর আগে এবং ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কালু খলিফার মৃত্যু হয় আড়াই বছর আগে। কিন্তু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে দুটি পদ এখনো শূন্য ঘোষণা হয়নি।
আমতলী পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৮ ফেরুয়ারি পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ড থেকে মঞ্জুরুল ও ৮নং ওয়ার্ড থেকে কালু খলিফা কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। শপথগ্রহণের মাত্র ছয় মাসের মাথায় ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর মঞ্জুরুল এবং ২০২০ সালের ১৭ জুলাই কালু খলিফা মারা যান।
স্থানীয়রা জানায়, কাউন্সিলর মঞ্জুরুল মারা যাওয়ার সাড়ে তিন বছর ও কালু খলিফা মারা যাওয়ার আড়াই বছর পেরিয়ে গেলেও দুই ওয়ার্ডে উপনির্বাচন হয়নি। কাউন্সিলর না থাকায় তারা সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন। বিভিন্ন সেবা পেতে তাদের অন্য ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের কাছে যেতে হয়। এতে তারা নানা সময় হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওয়ার্ড দুটির কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, আমাদের পরিচয়পত্র ও অন্যান্য নাগরিক সেবা পেতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। একটি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে অন্য ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের কাছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।
এ ব্যাপারে আমতলী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমার কাছে এ বিষয়ে কোনো তথ্য নেই। পৌর মেয়র সব জানেন।’
আমতলী পৌরসভার মেয়র মতিয়ার রহমান বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে এতোদিন বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে জানাতে বিলম্ব হয়েছে। সম্প্রতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।’
বরগুনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দীলিপ কুমার হাওলাদার বলেন, ‘আমতলী পৌরসভার দুই ওয়ার্ডের শূন্য পদের বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে বেশ কয়েকবার চিঠি দিয়েছি। কিন্তু তারা উপনির্বাচনের অনুমতি দিচ্ছেন না।’