রেজাউল করিম, গাজীপুর
প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৩ ১০:৫৬ এএম
আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২৩ ১৯:২১ পিএম
কুমির বেষ্টনীতে ছানাগুলো জন্মের পর পরই পানিতে নেমে গেছে। প্রবা ফটো
গাজীপুরের শ্রীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে প্রথমবারের মতো ছয়টি কুমিরছানার জন্ম হয়েছে। বেশ কয়েকবার কুমির ডিম দিলেও তাতে ছানা ফোটেনি। তবে আশার আলো দেখা যায় গত ডিসেম্বরে।
কুমিরের ছানার বিষয়টি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে নিশ্চিত করেছেন গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, সাফারি পার্কে বর্তমানে ১০টি লোনা পানির কুমির ও ৬টি মিঠাপানির কুমির রয়েছে। যা বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। পার্ক প্রতিষ্ঠার পর বেশ কয়েকবার কুমির ডিম দিলেও তাতে ছানা ফোটেনি। তবে গত ডিসেম্বরে লোনাপানির একটি কুমির ডিমে তা দিলে তাতে ছয়টি ছানার জন্ম হয়। জন্মের পর ছানাগুলো কুমির বেষ্টনী জলাধারে নেমে যায়।
কুমির ছানার বর্তমান অবস্থা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কুমির ছানাগুলো মাঝেমধ্যে উপরে উঠে আসে। তবে জন্মের পর সবগুলো কুমির ছানাকে আর একসাথে দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে ৬টি ছানাই জীবিত রয়েছে।
তাদের জন্য আলাদা কোনো খাবার আছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, কুমির বেষ্টনীতে ছানাগুলো জন্মের পর পরই পানিতে নেমে গেছে। জলাধার থেকেই সে তার খাবার গ্রহণ করছে। ছানাগুলোও জলাধার থেকে শেওলা ও ছোট মাছ খাবার হিসেবে গ্রহণ করছে।
এদিকে, গত রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ মালি থেকে একটি কার্গো বিমানে করে গ্রিভেট বানর বাংলাদেশে নিয়ে আসেন আবু বকর নামে এক ব্যক্তি। অবৈধভাবে আমদানি করায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বানরগুলোকে জব্দ করে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কাছে হস্তান্তর করে। পরে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট গতকাল মঙ্গলবার রাতে বানরগুলো গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষের কাছে বুঝিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চারটি কেপোসিড মানকি বুঝে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বানরগুলোকে পার্কের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।