কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৩ ১৫:০৫ পিএম
আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২৩ ১৬:৫০ পিএম
মাটি দিয়ে পাকা সড়কের গর্ত ভরাট করছেন কয়েকজন নারী। প্রবা ফটো
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আদমপুর সড়কটি খানাখন্দে বেহাল হয়ে পড়েছে। কার্পেটিং উঠে সড়কের বিভিন্ন জায়গায় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির (আরইআরএমপি-৩) আওতায় ‘জরুরি সংস্কারের’ উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে সড়কের গর্তগুলো মাটি দিয়ে ভরাটের অভিযোগ উঠেছে।
পিচঢালা সড়কটি সংস্কারে বিটুমিন মিশ্রিত পাথরের বদলে ধানি জমির নরম মাটি ব্যবহারের প্রমাণও মিলেছে।
রবিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সরেজমিনে আদমপুর সড়কে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনস্থ বেশ কয়েকজন নারী শ্রমিক সড়কটির উঠে যাওয়া কার্পেটিং ও গর্তগুলোতে মাটি ফেলছেন। সড়ক ধারের ধানি জমির টপ সয়েল (ওপরের অংশের মাটি) ঝুড়িতে করে সড়কে এনে ফেলা হচ্ছে।
কয়েকজন নারী কোদাল দিয়ে মাটিগুলো গর্তে দিচ্ছেন। বেশ কিছুদিন ধরেই এমন কার্যক্রম চলছে বলে জানান শ্রমিকরা।
নরম মাটি পিচঢালা সড়কে দেওয়াটা অযৌক্তিক দাবি করছেন চলাচলকারীরা। মোটরসাইকেল আরোহী রশিদ মিয়া বলেন, ‘১৬ বছর ধরে এ সড়কে চলাচল করছি, কোনোদিন মাটি দিতে দেখি নাই। সরকারি কার্যক্রম যে এত নিম্নমানের হয়েছে তা পাকা সড়কে মাটি দেখলেই বোঝা যায়।’
আরেক পথচারী আকাশ আহমেদ বলেন, ‘বৃষ্টি হলেই সড়কের গর্তের মাটিতে কাদা জমবে। এটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক কাজ। বিটুমিন মিশ্রিত পাথর দিলে গর্তগুলো স্থায়ী ভরাট হতো। অনেক স্থানে গাড়ি চলাচল করে গর্তের মাটি উঠেই গেছে।’
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কমলগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সড়কটি টেন্ডার হয়ে গেছে। শিগগিরই কাজ শুরু হবে। যানবাহন চলাচল উপযোগী করার জন্য আপাতত অস্থায়ীভাবে সড়কটির খানাখন্দ মাটি দিয়ে ভরাট করানো হচ্ছে।’