লালমনিরহাট প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৩ ২২:৩৫ পিএম
আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০২৩ ২২:৫৪ পিএম
প্রধান শিক্ষককে অপহরণের ঘটনা নিয়ে বুধবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। প্রবা ফটো
লালমনিরহাটের আদিতমারী থেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে অপহরণ করা প্রধান শিক্ষক নুরুল আমিনকে ঢাকার তেজগাঁও এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এদিন রাত সাড়ে ৩টায় নুরুল আমিনকে উদ্ধার করা হয়।
আটকরা হলেন, টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ভোলারপাড়া এলাকার আব্দুল
বারী ও নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার নারানদিয়া ইউনিয়নের শফিউল আলম।
বুধবার (১১ জানুয়ারি) বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘অপহৃত শিক্ষক ও অপহরণকারীদের মধ্যে
পূর্বের টাকা লেনদেন থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে
যে, চাকরি দেওয়ার কথা বলে আর্থিক লেনদেনের ঘটনায় তাকে অপহরণ করা হতে পারে।’
নুরুল আমিন আদিতমারী উপজেলার দোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
নুরুল আমিনের বড় ভাই রুহুল আমিন বলেন, ‘শুক্রবার (৬
জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে একটি সাদা ও একটি কালো রঙের মাইক্রোতে ১০ থেকে ১২ জন
পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে জোরপূর্বক নুরুলকে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় আমরা বাধা দিলে আমাদের মারধর করা হয়। বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে নুরুল আমিনকে আমাদের নিকট দেওয়া হবে বলে
জানিয়েছে পুলিশ।’
আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুল ইসলাম বলেন,
‘নুরুল আমিন
আমাদের হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বৃহস্পতিবার আসামিদের আদালতে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে
তাকে আদালতে উপস্থাপন করা হবে। আদালতের নির্দেশ মোতাবেক পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।’
ওসি বলেন, ‘শিক্ষকের ছেলে অজ্ঞাতপরিচয় ১০ থেকে ১২ জনের নামে ওই রাতেই মামলা করেন। পরে আব্দুল বারীর ঢাকার ভাড়া বাসা থেকে নুরুলকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করা হয়েছে।’