× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে পিঠা বিক্রি

নোয়াখালী প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৩ ১৯:৫৪ পিএম

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৩ ২০:১৯ পিএম

নোয়াখালীতে বেড়েছে শীতের পিঠা বিক্রি। ছেলে-বুড়ো সবাই নিচ্ছেন পিঠার স্বাদ। প্রবা ফটো

নোয়াখালীতে বেড়েছে শীতের পিঠা বিক্রি। ছেলে-বুড়ো সবাই নিচ্ছেন পিঠার স্বাদ। প্রবা ফটো

শীত এলেই বোঝা যায় পিঠা বাঙালির কতটা প্রিয়! এ সময় গ্রামের মানুষ প্রায় প্রতিদিনই পিঠার স্বাদ নিয়ে থাকেন। পিঠাবঞ্চিত থাকে না শহরবাসীও। শহরের অলিগলি থেকে শুরু করে রাস্তার পাশে, ফুটপাত ও দোকানে তৈরি বাহারি পিঠা। মূলত এসব দেকোনে গিয়েই শহরবাসী পিঠার স্বাদ নিয়ে থাকেন। পিছিয়ে নেই নোয়াখালী জেলা শহরও। 

সেখানে শীত আসার সাথে সাথে গড়ে উঠেছে অসংখ্য পিঠার দোকান। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে পিঠা বিক্রিও। মোড়ে মোড়ে বাহারি রকমের পিঠা তৈরি করছেন ভ্রাম্যমাণ পিঠাবিক্রেতারা। শীতের পিঠার স্বাদ নিচ্ছেন ছেলে-বুড়ো সাবাই। তাই পিঠার দোকানগুলোতে ভিড় যেন লেগেই থাকে। গভীর রাত পর্যন্ত চলে বেচা-কেনা। 

গত কয়েকেদিনে নোয়াখালীর মাইজদী কোর্ট, চৌমুহনী, টাইন হল মোড়সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে রাস্তার পাশে, মোড়ে, পাড়া-মহল্লায় বিক্রি হচ্ছে পিঠা। বিক্রেতাদের অনেকে এটাকে বেছে নিয়েছেন মৌসুমী পেশা হিসাবে। তারা গরম গরম পিঠা নামাচ্ছেন চুলা থেকে। ক্রেতারাও সেখানে দাঁড়িয়েই খাচ্ছেন। আবার কেউ বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন।

শহরের চৌমুহনী বাজারে পিঠা খেতে এসেছেন ফাইয়াজ ইফতি। তিনি জানান, শীত বাড়ার সাথে সাথে পিঠার স্বাদ যেমন বেড়ে যায়, তেমনি বেড়ে যায় ভিড়ও। আগে সন্ধ্যার পর পিঠার দোকানে পিঠা খেতে আসলেও, এখন বিকেল থেকেই আসছে সবাই। আমিও আসছি। পিঠার স্বাদ নিচ্ছি। 

বাবা-মায়ের সাথে পিঠা খেতে এসেছেন ছোট্ট নিসর্গ। সে জানায়, 'শীতের পিঠার মজাই আলাদা। পিঠার দোকানে আসি, নানান রকমের পিঠা খাই।  আমার কাছে খুব ভাল লাগে।'

বন্ধুদের সাথে পিঠা খেতে আসছেন কলেজ শিক্ষার্থী নওশিন তাবাসসুম। তিনি জানান, বাসায় সব রকমের ভর্তা বানানো সম্ভব হয় না। পিঠাবিক্রেতারা বিভিন্ন রকমের ভর্তা বানিয়ে থাকেন। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ভর্তা দিয়ে চিতই পিঠা খাওয়ার মজাই আলাদা। পাশাপাশি বাসায়ও নিয়ে যাব।  

ইয়াসমিন সুলতানা নামে আরেক কলেজ শিক্ষার্থী বলেন, 'বাঙালির প্রিয় হলো পিঠা। এখন যেহেতু শীতকাল, এ সময় পিঠা আমারও প্রিয়। বিভিন্ন পিঠার জন্য আমাদের নোয়াখালী বিখ্যাত। আম্মু চাকরিজীবী হওয়ায় বাসায় পিঠা বানানো হয় না। তাই গরম গরম পিঠা খেতে এসেছি। এখন যাদের হাতে সময় নেই তাদের চিন্তা নেই। কারণ পিঠা কিনে খাওয়া যায়।'

টাউন হল মোড়ের পিঠা বিক্রেতা আনিসুর রহমান জানান, বিকেল ৪টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত তিনি পিঠা বিক্রি করেন। এ বছর শীতে প্রচুর পিঠা বিক্রি হচ্ছে। দিন কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা, আবার কখনও কখনও এর বেশিও বিক্রি হয়। সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রচুর ভিড় থাকে। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা