× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

চট্টগ্রামের তিন প্রকল্প

কাজ নয়, মেয়াদ ও বরাদ্দ বৃদ্ধিতে গতি

সুবল বড়ুয়া, চট্টগ্রাম

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৩ ১৩:৪১ পিএম

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৩ ১৩:৫৬ পিএম

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ভবন। ফাইল ফটো

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ভবন। ফাইল ফটো

২০১৬ সাল থেকে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার তিনটি মেগা প্রকল্পের কাজ করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। ছয় বছরেও শেষ না হওয়ায় মহানগরীর ৬০ লাখ মানুষের ‘উন্নয়নজটের’ দুর্ভোগ কমছে না। এ যেন হাজার হাজার কোটি টাকায় লাগামহীন দুর্ভোগ-ক্রয় প্রকল্প। জনদুর্ভোগের এই প্রকল্প শেষ করার পরিবর্তে এখন ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হচ্ছে মেয়াদ ও অর্থ বরাদ্দ। সিডিএর এমন কর্মকাণ্ডকে পরিকল্পনাহীন বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।

চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে খাল পুনর্খনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প; লালখানবাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ; কর্ণফুলীর তীরে সড়ক-বাঁধ নির্মাণ- তিন প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ছিল ১১ হাজার ১৪১ কোটি টাকা। পরে সময় ও ব্যয় বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা।

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালে। শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালে। নির্ধারিত সময় শেষে ২০২২ সালে এসে কাজ হয়েছে ৭৫ শতাংশ। এভাবে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালে। তিন বছর পর গত ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ হয়েছে ৬৫ শতাংশ। কর্ণফুলী নদীর তীরে সড়ক-বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২১ সালে। ২০২২ সাল পর্যন্ত কাজ শেষ হয়েছে ৫৬ শতাংশ। বর্তমানে কাজ শেষের যে স্বপ্ন সিডিএ মহানগরবাসীকে দেখাচ্ছে, তা ঠিক ধরা হলেও আগামী দুই বছরের আগে শেষ করা যাচ্ছে না। ফলে জনদুর্ভোগও সেই পর্যন্ত থাকবে বলে ধরে নিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। 

তিন প্রকল্পের কারণে জনদুর্ভোগের মূল্য দিতে হচ্ছে জীবন দিয়ে। জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজে অব্যবস্থাপনার কারণে ২০২১ সালের ২৫ আগস্ট চট্টগ্রাম নগরীর মুরাদপুর এলাকার চশমাখালে পড়ে নিখোঁজ হন সবজি ব্যবসায়ী সালেহ আহমদ। তার আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। একই বছর ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে আগ্রাবাদ এলাকায় নালায় পড়ে মারা যান আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী শেহেরীন মাহমুদ সাদিয়া। তিনি জীবন দেন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের অব্যস্থাপনার জন্য। অব্যবস্থাপনার জন্য সিডিএকে দায়ী করেছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। 

দুই প্রকল্পের অব্যবস্থাপনার দায় জীবন দিয়ে চুকানো হলেও কর্ণফুলী নদীর তীরে সড়ক-বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের দায় শোধ করতে হচ্ছে হাজার কোটি টাকার পণ্য জোয়ারের পানিতে ডুবিয়ে। ২০২২ সালের ২৫ অক্টোবর প্রবল বর্ষণে চাক্তাই ও রাজাখালী খালের পানিতে ভেসে যায় দেশের অন্যতম বৃহৎ ভোগ্যপণ্যের বাজার। দোকানে-গুদামে থাকা হাজার কোটি টাকার পণ্য পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়। 

মহানগরবাসী জীবন ও ভোগ্যপণ্য দিয়ে দুর্ভোগের দায় শোধ করলেও ঘুম ভাঙছে না চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের। মানুষের জীবনহানি ও ভোগ্যপণ্যের ক্ষতির বিষয়টি সিডিএ চেয়ারম্যান বা প্রকৌশলী স্পর্শ করছে না। তারা যেন শপথ নিয়েছেন, জান-মাল যাক, তবু প্রকল্পের কাজ বিলম্বের কৌশল থেকে সরবেন না তারা।

তিন প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী (প্রকল্প) মাহফুজুর রহমান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ তিন প্রকল্পের কাজ চলমান আছে। প্রকল্পের জন্য জমি বুঝে না পাওয়া, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, গ্যাস-পানির সংযোগ অপসারণে বিলম্বসহ নানা কারণে প্রকল্পের কাজে বিলম্ব হচ্ছে। ফলে মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ছে।’ 

নানা অজুহাতে মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানোকে সিডিএ জায়েজ করতে চাইলেও সেটি শুভকাজ নয় বলে মন্তব্য করেছেন নগর পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতি জেরিনা হোসেন। তিনি বলেন, ‘সম্ভাব্যতা যাচাই না করে শুধু ড্রয়িং-ডিজাইন করেই ঢাকা থেকে প্রকল্পের অনুমোদন আনা হচ্ছে। কিছু প্রকল্পের ডিপিপিতেও অসঙ্গতি ছিল। এসব প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরুর পরই ধরা পড়ে নানা সমস্যা। তারপর নানা অজুহাতে ব্যয় বাড়িয়ে প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের পকেট ভারী করা হয়।’ প্রকল্প অনুমোদনের আগে ফিজিবিলিটি স্টাডি করা জরুরি জানিয়ে তিনি বলেন, তা হলে অর্থ সাশ্রয় হবে, জনদুর্ভোগ কমবে।

মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানো সমীচীন নয় বলে মনে করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আকতার কবির চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ঠিকাদার ও প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে বারবার প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। ঠুনকো অজুহাতে ব্যয় বাড়িয়ে তারা নিজেদের পকেট ভারী করেন। জবাবদিহি না থাকায় সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে হরিলুট এখন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। এ সংস্কৃতি থেকে আামদের বেরিয়ে আসা জরুরি।’

জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে খাল পুনর্খনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প: পাঁচ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট একনেকে অনুমোদন পায়। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম মহানগরীর নিম্নাঞ্চল হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে তলিয়ে যাবে না। জলাবদ্ধতা থাকবে না। সেই লক্ষ্যে প্রকল্পটি হাতে নেয় সিডিএ। কিন্তু প্রকল্প গ্রহণের পরই সিডিএর সঙ্গে সিটি করপোরেশনের (চসিক) বিরোধ দেখা দেয়। তখন চসিকের দাবি ছিল, মহানগরীর প্রকল্পের দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের। ওই সময় দুই পক্ষের বিরোধ নিরসনে বেশকিছু সময় যায়। ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের সঙ্গে সিডিএর সমঝোতা চুক্তির পর নির্মাণকাজ শুরু হয়।

সিডিএর প্রকল্প পরিচালক আহম্মদ মঈনুদ্দিন বলেন, ‘প্রকল্পটি ২০২০ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কোভিডসহ নানা কারণে হয়নি। ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। তবু কাজ শেষ না হওয়ায় তৃতীয় দফায় ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে।’ 

এই প্রকল্পের সময় বৃদ্ধির পর এখন সিডিএ ব্যয় বাড়ানোর আরেকটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়ে। নতুন প্রস্তাবে ব্যয় বাড়িয়ে ধরা হয়েছে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা। আগে প্রকল্প ব্যয় ছিল ৫ হাজার ৬১৬ কোটি। প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বাড়ানোর বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী (প্রকল্প) মাহফুজুর রহমান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘কাজের পরিধি বেড়েছে। জমির দাম তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ব্যয় বাড়ছে।’ নতুন প্রস্তাবে ব্যয় আট হাজার কোটি টাকা হতে পারে বলে তিনি জানান।

প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ে সেনাবাহিনীর প্রকল্প পরিচালক এবং ২৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহ আলী বলেন, প্রকল্পের ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পভুক্ত রিটেইনিং ওয়াল ও তিনটি জলাধার নির্মাণের জন্য ৬ হাজার ৫১৬ কাঠা জমি প্রয়োজন। এসব জমি অধিগ্রহণ এখনো শেষ করতে পারেনি সিডিএ। তাই পুরোদমে নির্মাণকাজ করা যাচ্ছে না। সিডিএ এসব জমি দ্রুত অধিগ্রহণ করে দিলে কাজও দ্রুত শেষ হবে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলেই সুবিধা পাবেন নগরবাসী।’ 

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়ন চেয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পটি সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি। ইদানীং বাকলিয়া, বহদ্দারহাট ও খাতুনগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার লোকজন দুর্ভোগের অভিযোগ দিচ্ছেন। খাল-নালা সংস্কারে সৃষ্ট দুর্ভোগের কারণে মানুষ কষ্ট পাচ্ছেন। প্রকল্পটি সমন্বয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা আবশ্যক।’

লালখান বাজার-বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প: লালখানবাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের কাজ ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুরুতেই ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ৩ হাজার ২৫০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ২০২২ সাল পর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র ৬৫ শতাংশ। বাকি ৩৫ শতাংশ কাজ শেষ করতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান। এরই মধ্যে দুই দফা সময় ও ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। বর্ধিত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২৯৮ কোটি টাকায়। 

ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক বলেন, ‘ফ্লাইওভারের অ্যালাইনমেন্টে সামান্য পরিবর্তন আনতে হয়েছে। সংশোধিত ডিপিপিতে ভূমি অধিগ্রহণ খাতে অনুমোদিত ১৩৮ কাঠার পরিবর্তে ৫৯৬ দশমিক ১৮ কাঠার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ভূমি অধিগ্রহণের পরিমাণ বেড়েছে। এর বাইরে ক্ষতিপূরণ বেড়েছে তিনগুণ। এ কারণে প্রকল্পটি সংশোধন করে ১ হাজার ৪৮ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।’ 

কর্ণফুলীর তীরবর্তী কালুরঘাট সেতু থেকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক-বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প: সাড়ে আট কিলোমিটার দীর্ঘ ‘কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী কালুরঘাট সেতু থেকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক কাম বাঁধ নির্মাণ’ প্রকল্পটির কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের অক্টোবর। প্রাথমিক অনুমোদিত ব্যয় ছিল ২ হাজার ২৭৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। পরে প্রথম সংশোধনীতে ব্যয় বাড়ানো হয় প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। দ্বিতীয় সংশোধনীতে বাড়ানো হয় ৪৩৬ কোটি টাকা। এখন প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৭৪৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ তিন বছর ধরা হয়েছিল। প্রথম মেয়াদ শেষে তিনবার মেয়াদ বাড়িয়েও কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ৫৬ শতাংশ। আর প্রকল্পের কাজ ২০২৪ সালে শেষ হবে বলে দাবি করছে সিডিএ। 

প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী রাজীব দাশ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ, বরাদ্দ সংকট, কোভিড পরিস্থিতিসহ নানা কারণে নির্মাণকাজ কম হয়েছে। এখন কর্ণফুলী নদীর তীর ঘেঁষে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৪ ফুট উঁচু ও ৮০ ফুট প্রশস্ত চার লেনের সড়ক কাম বাঁধ নির্মাণকাজ চলছে। এ জন্য সাত কিলোমিটার অংশে মাটি ভরাট কাজ শেষ। সব মিলিয়ে প্রকল্পের ৫৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ শেষ করতে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।’

ব্যয় বৃদ্ধির ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক। তিনি বলছেন, ‘২০১৭ সালে প্রকল্পটি যখন নেওয়া হয়েছিল তখন অনেক কিছু হিসাবে আসেনি। বেশ কিছু নতুন অঙ্গ (কম্পোন্যান্ট) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই ব্যয় বেড়েছে।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা