× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

শস্যভান্ডার দিনাজপুরে ধানের বাজার চড়া, লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা

দিনাজপুর প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৩ ১৭:৫৩ পিএম

আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২৩ ১৯:২৪ পিএম

শস্যভাণ্ডার খ্যাত দিনাজপুরে লাগামহীনভাবে বেড়ে চলেছে ধানের দাম। ছবি : প্রবা

শস্যভাণ্ডার খ্যাত দিনাজপুরে লাগামহীনভাবে বেড়ে চলেছে ধানের দাম। ছবি : প্রবা

দেশের শস্যভান্ডার খ্যাত দিনাজপুরে লাগামহীনভাবে বেড়ে চলেছে ধানের দাম। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে বস্তাপ্রতি দাম বেড়েছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। এতে চলতি আমন মৌসুমে সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। তবে কেউ যেন কৃত্রিমভাবে ধানের দাম বাড়াতে না পারে সেজন্য মনিটরিং চলছে বলে জানিয়েছে খাদ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসন।

দিনাজপুরের প্রধান ধানের বাজারগুলোতে গিয়ে দেখা গেছে, হঠাৎ করেই দাম বেড়ে গেছে। এরমধ্যে পার্বতীপুরের আমবাড়ি হাট, সদরের গোপালগঞ্জ হাট ও রানীগঞ্জ হাট, বিরলের কালিয়াগঞ্জ ও কাশিডাঙ্গা-চৌরঙ্গী হাট এবং কাহারোল হাট অন্যতম।

রবিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার রানীগঞ্জ হাটে প্রতিদিনের বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলেন ধান ব্যবসায়ী হাসান আলী। তিনি জানান, চিরিরবন্দর উপজেলার থেকে তিনি ধান কেনার জন্য এখানে এসেছেন। গত সপ্তাহে এই রানীগঞ্জ হাট থেকে তিনি মোটা ধান কিনেছিলেন প্রতিবস্তা (৭৬ কেজি) ৪ হাজার ১৫০ থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকায়। আর আজ সেই ধানের দাম ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার ৬০০ টাকা। চিকন ধানের দাম আরও বেশি।

এ ছাড়া মুরাদপুর থেকে ধান কিনতে আসা ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম জানান, এ বছর বাজারের অবস্থা ভালো না। ধানের দাম অনেক বেশি। এই হাটেই গত সপ্তাহে চিকন চিনি গুড়া ও হাঠারি ধান বস্তাপ্রতি কিনিছিলেন ৪ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার ৩০০ টাকায়। আর এই সপ্তাহে সেই ধানের দাম ৫ হাজার ১০০ থেকে ৫ হাজার ২০০ টাকায়।

এদিকে, জেলায় এবার রেকর্ড পরিমাণ ধান উৎপাদনের পরও ধান-চাল সংগ্রহে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে জেলা খাদ্য অধিদপ্তর। এ বছর কৃষকরা সরকারকে ধান ও মিল মালিকরা চাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাই ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে খাদ্য অধিদপ্তর।

দিনাজপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘এবার আমন মৌসুমে জেলায় কৃষকের কাছ থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে ১৪ হাজার ৪১৭ টন ধান এবং ৪২ টাকা কেজি দরে মিলারদের কাছে ৫৪ হাজার টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে খাদ্য অধিদপ্তর। ধান-চাল সংগ্রহ গত বছরের ১৭ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এবং চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।’

জেলায় মোট রাইস মিল রয়েছে ১ হাজার ৫৪৪টি। এরমধ্যে হাসকিং মিল ১ হাজার ৩৪৮টি এবং অটো রাইস মিল ১৯৩টি। তারমধ্যে সরকারের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ১ হাজার ১২৬টি রাইস মিল।

এদিকে, দিনাজপুর জেলা রাইস মিল মালিক সমিতির সভাপতি মো. মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, ‘আমরা সরকারকে যথাসাধ্য চাল সরবরাহ করার চেষ্টা করছি। কারণ, না দিলে আমাদের লাইসেন্স বাতিলের হুমকি রয়েছে। তবে, ধানের যে দাম, তাতে চাল উৎপাদন ও সরকারের কাছে সরবরাহ করতে আমাদের নাভিশ্বাস উঠে গেছে। সরকার একটু বেশি রেট (দাম) দিলে আমাদের জন্যে সুবিধা হতো।’

দামের ব্যাপারে মিল মালিক সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘হয় সরকারকে চালের নির্ধারিত দাম বাড়াতে হবে, নয়তো বাজারে ধানের দাম আরও কমাতে হবে। তা না হলে গুদামে চাল দিয়ে লোকসান হচ্ছে আমাদের।’

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা