চুয়াডাঙ্গা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৩ ১১:৩৭ এএম
আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৩ ১৩:১৭ পিএম
আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে খেটে খাওয়া মানুষ। প্রবা ফটো
ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসের কারণে চুয়াডাঙ্গায় জেঁকে বসেছে শীত। বইছে মৃদু শৈতপ্রবাহ। শনিবার (৭ জানুয়ারি) জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দেশে সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ অফিসের ইনচার্জ রাকিবুল হাসান জানান, সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাস বইছে। আবহাওয়ার এ পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
শীতে সবচেয়ে কষ্টে আছেন খেটে খাওয়া মানুষ। দিনমজুর, রিকশা-ভ্যানচালক সবাই শীতে জবুথবু। বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন তারা।
প্রতিদিন সকালে পাখিভ্যানে ডিম বেচতে গ্রামে গ্রামে বেরিয়ে পড়ে হাবিল মিয়া। এদিন সকাল ৭টার দিকে কথা হয় হাবিল মিয়ার সঙ্গে।
শীতে কাঁপতে কাঁপতে হাবিল মিয়া বলেন, ‘শীত আর বাতাসে বড় বেকায়দায় পড়েছি। পেটের দায়ে বের হতে হচ্ছে। ’
ইটভাটা শ্রমিক ইলিয়াস বলেন, ‘ভোরে ভাটায় এসে কাদার মেশিন থেকে কাদা নিয়ে ইট কাটা শুরু করেছি। ঠান্ডা বাতাসে বসা যাচ্ছে না।’
চায়ের দোকানদার আকছেদ আলী বলেন, ‘আমার জীবনে এত শীত দেখেনি। কেউ একটা কম্বলও দিল না।’
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ‘এ জেলায় যে পরিমাণ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। আরও শীতবস্ত্র চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।’
জেলা ত্রাণ অফিস থেকে জানা গেছে, সরকারিভাবে আজ (৭ জানুয়ারি) পর্যন্ত ২১ হাজার ১০০ পিস কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের এমপি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দারের পক্ষে ২ হাজার ৮৮৮ পিস কম্বল কেনা হয়েছে। যেগুলো বিতরণের কাজ চলছে।