গাইবান্ধা সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৩ ২২:৪৪ পিএম
আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০২৩ ২৩:০১ পিএম
গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় ১৪৫ জন প্রিজাইডিং অফিসারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাদের জায়গায় অন্য উপজেলা থেকে ১৪৫ জনকে আনা হয়েছে। এই কর্মকর্তারাই ৪ জানুয়ারির উপনির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন।
গত ১২ আগস্ট জাতীয় সংসদের গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে সাঘাটা ও ফুলছড়ি দুই উপজেলা থেকে ১৪৫টি কেন্দ্রের জন্য কলেজ শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ১৪৫ জনকে প্রিজাইডিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তারা যথারীতি দায়িত্বও পালন করেন। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকায় বসে সিসি ক্যামেরায় নানা অপকর্ম দেখতে পান নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্টরা। ফলে প্রথমে তারা ৫১টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করেন। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে সবগুলো কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করেন এরপর নির্বাচন কমিশন থেকে এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত টিম গঠন করা হয়।
তদন্ত টিম সরেজমিনে গাইবান্ধায় এসে মাঠ পর্যায়ে এবং সার্কিট হাউসে নির্বাচনে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই নির্বাচনে অনিয়মের লিখিত স্বীকারোক্তি দেন। তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন ১৪৫ জন প্রিজাইডিং অফিসারসহ আরও কয়েকজনের অনিয়মে জড়িত থাকার প্রমাণ পান। নির্বাচন কমিশন অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি সুপারিশ করেন। ফলে ৪ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফার উপনির্বাচনে তাদেরকে আর দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে না।
গাইবান্ধার রিটার্নিং অফিসার আব্দুল মোত্তালিব জানান, নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের জন্য নওগাঁ, নাটোর, রংপুরসহ কয়েকটি জেলা থেকে কর্মকর্তাদের গাইবান্ধায় আনা হয়েছে। তারা দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া এর আগে এই আসনের নির্বাচনে যারা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।