কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ ঘণ্টা আগে
বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ও সংরক্ষণের জন্য অনন্য অবদান রাখায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেককে ‘প্রাণ সংহতি’ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। প্রবা ফটো
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মালিকানাবিহীন কুকুর, বিড়াল ও বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ও সংরক্ষণের জন্য অনন্য অবদান রাখায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেককে ‘প্রাণ সংহতি’ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলা ভূমি অফিস কার্যালয়ে এ সম্মাননা প্রদান করেন অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার সদস্যরা।
এ সময় সম্মাননা হিসেবে তাকে একটি ক্রেস্ট
ও সনদ প্রদান করা হয়। সম্মাননা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ইয়াসীন সাদেক। সম্মাননা
প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন অ্যানিমেল লাভারস অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার টিম লিডার
বায়জিদ মুন্সী, সদস্য আল মনজির, সদস্য মাসুদ হাসান ও কাউছারসহ আরও অনেকে।
অ্যানিমেল লাভারস অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া
শাখার টিম লিডার বায়েজিদ মুন্সী বলেন, ইয়াসীন সাদেক কলাপড়ায় যোগদান করার পর থেকেই
তিঁনি বন্যপ্রাণীর প্রতি অনেক সহানুভূতি দেখিয়েছেন। আমাদের বিপদগ্রস্ত বন্যপ্রাণী
উদ্ধারের কাজে তিনি সব সময় আমাদের সহযোগিতা করেছেন। তার কৃতিত্ব আমাদের আজীবন স্মরণীয়
হয়ে থাকবে।
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)
ইয়াসীন সাদেক বলেন, ছোটবেলা থেকেই পশু-পাখি এবং গাছপালার প্রতি আমার একটা টান রয়েছে।
তবে আমার কৃতিত্ব আমি অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখা সদস্যদের উৎসর্গ
করছি। কারণ তারাই আমাকে মোটিভেটেড করেছে।
ইয়াসীন সাদেক আরও বলেন, বন্যপ্রাণী
নিয়ে মানুষের সচেতনতার অনেক অভাব রয়েছে। মানুষের মধ্যে সচেতনতার পাশাপাশি বন্যপ্রাণী
রক্ষায় আমি বেশ কিছু মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছি। কলাপাড়ায় ইতোমধ্যে ১৬টি মহিষের
লড়াই বন্ধ করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রজাতির বন্য পশু-পাখি উদ্ধার করে বনে উন্মুক্ত করা
হয়েছে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের পাশে একটি অ্যানিমেল শেড
তৈরি করা হয়েছে। কুয়াকাটায় একটি অ্যানিমেল মিউজিয়াম তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।'