জয়পুরহাট ও পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ ঘণ্টা আগে
জয়পুরহাট সদর উপজেলার পশ্চিম রামকৃষ্ণপুর সীমান্তে ভারত থেকে পুশইনের চেষ্টার শিকার তিন ব্যক্তিকে শূন্য রেখায় আর দেখা যাচ্ছে না। রবিবার (১২ জুলাই) সকালে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার ভোরে বিএসএফ পাঁচজনকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে। এর মধ্যে দুজন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে দৌড়ে পালিয়ে যান। অন্য তিনজন শেখ হাফিজুর রহমান, নাছিমা বেগম ও শেফালী বেগমকে স্থানীয়রা আটক করে বিজিবিকে জানান। বিজিবি সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে শূন্যরেখায় নিয়ে (নো ম্যানস ল্যান্ড) কঠোর পাহারায় রাখেন এবং বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন। কিন্তু রবিবার সকাল থেকে ওই তিনজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি। স্থানীয়দের ধারণা, রাতের কোনো এক সময়ে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে বিজিবি-১৪ পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, রাতের কোনো এক সময় বিএসএফ তাদের নিয়ে গিয়েছে।
পাটগ্রাম সীমান্তে পুশইন ব্যর্থ, ৩ নারীকে রাতেই ফিরিয়ে নিল বিএসএফ
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে শনিবার ভোরে পুশইনের জন্য জড়ো করা ৩ নারীকে ঐদিন রাতেই ফিরিয়ে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বিজিবি ৬১ ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) সহকারী পরিচালক কারিমুল ইসলাম হোয়াটসঅ্যাপে খুদেবার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি, সীমান্ত সূত্র ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার রাত দেড়টায় বাংলাদেশের লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের ষোলঘড়িয়া গ্রামের সীমান্ত এলাকার প্রধান পিলার ৮৩৪-এর ১ নম্বর উপপিলার বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার গোলাপাড়া গ্রামের সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়াসংলগ্ন লাইট বন্ধ করে দেয় বিএসএফ। এ সময় পুশইনের জন্য আনা ৩ নারীকে শূন্যরেখা থেকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায় বিএসএফ। এর আগে শনিবার ভোরে ৮ নারী-পুরুষকে পুশইন করে বিএসএফ। এদের মধ্যে ৫ জন ব্যক্তি ট্রেনযোগে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকেছে বলে দাবি করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।