নগরকান্দা সালথা (ফরিদপুর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ১ ঘণ্টা আগে
ইউএনও মো. দবির উদ্দিন এবং খাল খননের কোলাজ ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের খাল পুনঃখনন প্রকল্প সম্পন্ন শেষে উদ্বৃত্ত ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দিন।
সরকারি টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে প্রশংসায় ভাসছেন এই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানায়, আটঘর, রামকান্তপুর ও সোনাপুর ইউনিয়নের মোট ৪ দশমিক ৫৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ তিনটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পে সরকারের বরাদ্দ ছিল ১ কোটি ৬৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪০৯ টাকা। প্রায় তিন মাস ধরে পরিচালিত এ প্রকল্পে শ্রমিকের মজুরি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় পরিশোধের পর অবশিষ্ট ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত জমা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে খাল খনন প্রকল্প নিয়ে নানা অনিয়ম ও অপব্যয়ের অভিযোগ উঠলেও সালথায় প্রকল্পটি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে বাস্তবায়িত হয়েছে। সরকারি অর্থের অপচয় না করে সঠিকভাবে প্রকল্প সম্পন্ন করায় উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্র জানায়, ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রকল্পের অগ্রগতি ও কাজের মান পরিদর্শনে আসেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম। পরিদর্শন শেষে উভয়েই কাজের মান এবং স্বচ্ছ বাস্তবায়নের প্রশংসা করেন।
এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দিন বলেন, উন্নয়ন কাজের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সততা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল অঙ্গীকার। সরকারি অর্থ জনগণের সম্পদ। তাই এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। প্রকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের পর যে অর্থ অবশিষ্ট অর্থ ছিল তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। আমি যেখানেই দায়িত্ব পালন করি, প্রতিটি কাজ নিজের দায়িত্ব মনে করেই সম্পন্ন করার চেষ্টা করি।
স্থানীয়দের মতে, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে এমন স্বচ্ছতা ও সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনা অন্যদের জন্যও অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।
এর আগে মো. দবির উদ্দিন নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।