বেণীমাধব-ফণীভূষণ স্মারক বক্তৃতা
চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ১ ঘণ্টা আগে
থিয়েটার ইনস্টিটিউটে শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘নিজের প্রদীপ নিজে হও: গৌতম বুদ্ধের দর্শন ও মনস্তত্ত্ব’ শিরোনামে স্মারক বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডা. এম এ মোহিত কামাল। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
চট্টগ্রামে অনোমা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর আয়োজনে বেণীমাধব-ফণীভূষণ স্মারক বক্তৃতামালার ষোড়শ আবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
থিয়েটার ইনস্টিটিউটে শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘নিজের প্রদীপ নিজে হও: গৌতম বুদ্ধের দর্শন ও মনস্তত্ত্ব’ শিরোনামে স্মারক বক্তা ছিলেন মনস্তত্ত্ববিদ ও কথাসাহিত্যিক ডা. এম এ মোহিত কামাল।
অনোমা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সভাপতি প্রফেসর প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রাক্তন লায়ন গর্ভনর রূপম কিশোর বড়ুয়া।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চট্টগ্রামের (ইউসিটিসি) উপাচার্য বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. মো. জাহিদ হোসেন শরীফ।
সম্মানিত আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ একাডেমির পরিচালক প্রফেসর তুষার কান্তি বড়ুয়া এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মনোরোগ বিভাগের প্রধান ডা. পঞ্চানন আচার্য্য। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের মহাসচিব তুষার কান্তি বড়ুয়া।
কবি অরূপ কুমার বড়ুয়া ও এড. দেবাশীষ বড়ুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ একাডেমির সচিব পৃথ্বীশ বড়ুয়া শুভ। সম্মাননা স্মারক পাঠ করেন রঞ্জন বড়ুয়া, সত্যপ্রিয় বড়ুয়া ও প্রকৌশলী রাজীব বড়ুয়া। শুরুতেই উদ্বোধনী নৃ্ত্য পরিবেশন করেন শিল্পী অস্মিতা বড়ুয়া।
গৌতম বুদ্ধের দর্শন ও মনস্তত্ত্বকে আধুনিক মনোবিজ্ঞানের সঙ্গে সামঞ্জস্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রখ্যাত মনস্তত্ত্ববিদ ও কথাসাহিত্যিক ডা. এম এ মোহিত কামাল। তিনি বলেন, জ্ঞানের কথা হলো, নমনীয় হওয়া। তথাগত বুদ্ধ চরম-পথ গ্রহণ করা থেকে বিরত ছিলেন। মানবজাতিকেও চরম-পথ গ্রহণ না-করার শিক্ষা দিয়ে গেছেন। বর্তমান যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত বিশ্ববাসীর জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ দর্শন এবং প্রাসঙ্গিক মনস্তাত্ত্বিক অনুষদও।
অশান্তিময় বিশৃঙ্খল বিশ্বে আমরা দেখতে পাচ্ছি চরম-পথ একতরফা, একরোখা প্রকৃতির হয়। এধরনের বেপরোয়া সিদ্ধান্ত এবং পথচলায় যথার্থ বিবেচনাবোধ লোপ পায় কিংবা বিনাশ হয়ে যায়।
উদ্বোধক লায়ন রূপম কিশোর বড়ুয়া বলেন, বাস্তব কর্মজীবন ও মানব জীবনে সফলতা হলে হলে সময়ানুবর্তিতা, শ্রম ও নিষ্ঠার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। গৌতম বুদ্ধের অমৃত ও অপ্রমাদপূর্ণ বাণী ও শিক্ষার সাথে ইতিবাচক।
সভায় বক্তারা-এশিয়ার প্রথম ডি.লিট ইতিহাসবেত্তা আচার্য ড. বেণীমাধব বড়ুয়া এবং সমকালীন এডভোকেট ফণী ভূষণ বড়ুয়ার শিক্ষা, সাংগঠনিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকীর্তি তুলে ধরেন।