খাগড়াছড়ি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
সেনাবাহিনীর সহায়তায় রাঙামাটির সাজেক ভ্যালি ছেড়েছেন আটকে পড়া আরও ৪১১ পর্যটক। টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে মাচালং ও বাঘাইহাট বাজার এলাকায় সড়ক ডুবে থাকায় তারা আটকে পড়েন।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে নৌকা ও বাঁশের ভেলায় করে পর্যটকদের ওই এলাকা পার করিয়ে দেওয়া হয়। পরে পর্যটন বহনকারী ১০১টি ছোট-বড় যানবাহন সেনাবাহিনী ও ট্যুরিস্ট পুলিশের নিরাপত্তায় বাঘাইহাট হয়ে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। বর্তমানে সাজেকে আর কোনো পর্যটক নেই বলে জানিয়েছেন সাজেক কটেজ ও রিসোর্ট মালিক সমিতির সচিব সুরেশ ত্রিপুরা।
রিসোর্ট মালিক সমিতি এবং স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে রাঙামাটির দীঘিনালা-বাঘাইহাট-মাচালং-সাজেক সড়কের বিভিন্ন অংশ প্লাবিত হয়। এতে সাজেকে প্রায় ৫৬১ পর্যটক আটকা পড়েন। গত বৃহস্পতিবার বিকালে সেনাবাহিনীর বিশেষ উদ্যোগে পানিতে ডুবে থাকা সড়কগুলোতে নৌকা ও বাঁশের ভেলার মাধ্যমে পর্যটকদের পারাপারের ব্যবস্থা করা হয়। প্রথম দফায় সাজেক ছেড়ে যাওয়া ১৫০ পর্যটকের মধ্যে ১০ জন শিশু, ১০০ জন পুরুষ ও ৪০ জন নারী ছিলেন। দ্বিতীয় দফায় গতকাল বাকি পর্যটকরা সাজেক ছাড়েন।
সাজেক কটেজ ও রিসোর্ট মালিক সমিতির সচিব সুরেশ ত্রিপুরা বলেন, আটকে পড়া সব পর্যটক গতকাল সকাল ৯টার দিকে সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ছেড়েছেন। এখন সাজেকে আর কোনো পর্যটক নেই।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান বলেন, সাজেকে আটকে থাকা পর্যটকদের মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকালে প্রথম দফায় কিছুসংখ্যক চলে গেছেন। শুক্রবার সকালে বাকিরা সাজেক ছেড়ে তাদের নিরাপদ গন্তব্যে ফিরেছেন।
এদিকে দুর্যোগপূর্ণ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সাময়িকভাবে সাজেক পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়, যা এখনও বলবৎ রয়েছে। ৭ জুলাই সন্ধ্যায় এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করেন জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।