শেরপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
শেরপুরের নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মোড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে মো. আব্দুল কাদির (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ী মারা গেছেন।
তিনি নকলার সাবেক আলেয়া সিনেমা হলের কর্মচারী এবং স্বদেশ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবসায়ী ছিলেন। নিহত আব্দুল কাদির উওর গণপদ্দী গ্রামের মৃত হরমুজ আলীর ছেলে। স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার হলপট্টি মোড়ে যাত্রী ওঠানামাকে কেন্দ্র করে রোহান লাইন নামে ঢাকাগামী একটি বাসচালক ও কয়েকজন সিএনজি চালকের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় বাসচালক বাস থেকে নেমে গেলে হেলপার স্টিয়ারিং নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আব্দুল কাদিরকে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার পর পুলিশ বাসটি জব্দ করে থানায় নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। সিএনজি ও বাসের মধ্যে যাত্রী তোলা নিয়ে ঝামেলার কথা শুনেছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি আরও জানান, নিহতের স্ত্রী ও মেয়ে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় অবস্থান করছেন। তারা ফিরে এলে ময়নাতদন্তের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শেরপুরের নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মোড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে মো. আব্দুল কাদির (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ী মারা গেছেন। তিনি নকলার সাবেক আলেয়া সিনেমা হলের কর্মচারী এবং স্বদেশ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবসায়ী ছিলেন। নিহত আব্দুল কাদির উওর গণপদ্দী গ্রামের মৃত হরমুজ আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার হলপট্টি মোড়ে যাত্রী ওঠানামাকে কেন্দ্র করে রোহান লাইন নামে ঢাকাগামী একটি বাসচালক ও কয়েকজন সিএনজি চালকের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় বাসচালক বাস থেকে নেমে গেলে হেলপার স্টিয়ারিং নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আব্দুল কাদিরকে ধাক্কা দেয়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার পর পুলিশ বাসটি জব্দ করে থানায় নিয়ে গেছে।
এ বিষয়ে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। সিএনজি ও বাসের মধ্যে যাত্রী তোলা নিয়ে ঝামেলার কথা শুনেছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের স্ত্রী ও মেয়ে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় অবস্থান করছেন। তারা ফিরে এলে ময়নাতদন্তের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।