ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৩ ঘণ্টা আগে
জি এম হামিদুর রহমান (সবুজ)। ফাইল ছবি
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক জি এম হামিদুর রহমান (সবুজ)। এলাকার সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে তার প্রার্থিতা নিয়ে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
জি এম হামিদুর রহমান সবুজ নব্বইয়ের দশকে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সম্মুখযোদ্ধা এবং সাবেক ধর্মপাশা থানা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি সেলবরষ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মরহুম জি এম হাবিব হোসেনের সন্তান। তার স্ত্রী মরহুমা সাবিকুর নাহার শিল্পী ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
এ ছাড়া তিনি মোহনগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম আব্দুর রাজ্জাক মাস্টারের জামাতা এবং বর্তমান মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সেলিম কার্ণায়েনের ভগ্নিপতি।
ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে জি এম হামিদুর রহমান সবুজ বলেন, “আমার নিজের এবং শ্বশুরবাড়ির পরিবার ঐতিহাসিকভাবেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ১৯৯৩ সালে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য নজির হোসেন এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের সহযোগিতায় আমি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পদে যোগদান করি”।
“তবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে পদোন্নতিসহ নানাভাবে আমাকে নির্যাতন ও কোণঠাসা করে রাখা হয়েছিল। একপর্যায়ে চাকরি থেকে ছাঁটাইও করা হয়। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ায় পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ পরিদর্শক হলেও আমাকে কোনো থানায় দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এভাবেই বৈষম্যের শিকার হয়ে একসময় অবসরে যাই”।
তিনি আরও বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভ্যানগার্ড হিসেবে যেকোনো পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করতে আমি প্রস্তুত। আগামী দিনে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুলের নেতৃত্বে সেলবরষ ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য”।
নির্বাচনী পরিকল্পনার কথা জানিয়ে এই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বলেন, নির্বাচিত হতে পারলে তিনি সেলবরষ ইউনিয়নকে মাদক, জুয়া, চোরাকারবারি ও সন্ত্রাসমুক্ত করবেন। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বাসস্থান এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল উন্নয়ন ঘটাতে চান।