× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বিপৎসীমার ওপরে সাঙ্গু নদীর পানি, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

বান্দরবান প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৫ ঘণ্টা আগে

আপডেট : ৫ ঘণ্টা আগে

দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে সাঙ্গু নদীর পানি, বুধবার সকাল ৯টায় বিপৎসীমা অতিক্রম করে ১৫.৭৫ উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে সাঙ্গু নদীর পানি, বুধবার সকাল ৯টায় বিপৎসীমা অতিক্রম করে ১৫.৭৫ উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

টানা কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বান্দরবানে সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে বসতঘর, সড়ক ও কৃষিজমিতে পানি ঢুকে জনদুর্ভোগ বেড়েছে।

বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব বুধবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টির কারণে সাঙ্গু নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আজ সকাল ৯টায় তা বিপৎসীমা অতিক্রম করে ১৫.৭৫ উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে”।

সরেজমিনে দেখা যায়, পৌর এলাকার আর্মি পাড়া, মেম্বার পাড়া, ইসলামপুর শেরেবাংলা, ব্রীগেড এলাকা, বালাঘাটার আম বাগান, ক্যাচিংঘাটা, হাফেজঘোনা ও নিম্নাঞ্চলসহ নদী তীরবর্তী বেশ কয়েকটি এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে

এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটছে। এদিকে টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকিও বেড়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক করার পাশাপাশি নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।

পানিতে তলিয়ে গেছে বান্দরবানের নিম্নাঞ্চল। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

এরই মধ্যে বন্যার পানিতে বসতঘর তলিয়ে যাওয়া ১৪০ পরিবার বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া জেলাজুড়ে অন্তত কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

জেলা প্রশাসন অফিস জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সম্ভাব্য বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদে আশ্রয় নিতে সতর্ক করা হচ্ছে। জেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। যার মধ্যে বান্দরবান সদরে ৪৫টি।

বান্দরবান সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মিল্টন দস্তিদার বলেন, “উপজেলায় ৪৫টি আশ্রয়ন কেন্দ্রে বেলা ১১ টা পর্যন্ত ১৯০ পরিবারের প্রায় ৭০০ জন লোক আশ্রয় নিয়েছেন”।

সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে হলে জানান তিনি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সনাতন কুমার মন্ডল বলেন, “গতকাল (মঙ্গলবার) সকাল ৯ টা থেকে আজ (বুধবার) সকাল ৯টা পর্যন্ত জেলায় ৩০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে”।

আগামী কয়েক দিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানান তিনি।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, “দুর্যোগ মোকাবিলায় সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলার সাত উপজেলার পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জনপ্রতিনিধিদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে”।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা