রেললাইনে পানি
চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ৬ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম নগরের মুরাদপুর এলাকার সুন্নিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন স্থানে রেললাইন পানিতে তলিয়ে যায়। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
টানা ভারি বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরের মুরাদপুর এলাকার সুন্নিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন স্থানে রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
পানি না কমা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। একই সঙ্গে যেসব যাত্রী আগাম টিকিট কেটেছেন, তাদের টিকিটের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
চট্টগ্রামের ষোলশহর-জানালিহাট রেল সেকশনের জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শন শেষে বুধবার সকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পানি না সরা পর্যন্ত চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী যাত্রীরা চট্টগ্রাম পর্যন্ত আসতে পারবেন। এরপর কক্সবাজার অংশের টিকিটের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। যারা আগাম টিকিট নিয়েছেন, তারাও নির্ধারিত নিয়মে টাকা ফেরত পাবেন।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, বুধবার সকালে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী চারটি ট্রেনের নির্ধারিত যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। ট্রেনগুলো হলো সৈকত এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, প্রবাল এক্সপ্রেস এবং পর্যটক এক্সপ্রেস।
টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরের মুরাদপুর এলাকার সুন্নিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন স্থানে রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ষোলশহর-জানালিহাট সেকশনের ওই অংশে প্রায় দুই ফুট পানি জমে থাকায় ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।
এর প্রভাব পড়ে ঢাকা-কক্সবাজার রুটেও। বুধবার ভোরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কক্সবাজার এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম স্টেশনে এসে আটকে যায় এবং কক্সবাজারের উদ্দেশে আর যাত্রা করতে পারেনি। ট্রেনটি বিকাল ৪টায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে প্রতিদিন চার জোড়া ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে দুই জোড়া ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে এবং দুই জোড়া ট্রেন ঢাকা থেকে কক্সবাজারে যাতায়াত করে। তবে কয়েক দিনের টানা ভারি বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে আপাতত এ রুটের সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।