প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
প্রতিকী ছবি
দেশের তিন জেলায় পৃথক ধর্ষণের ঘটনায় স্কুলছাত্রী, বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী ও এক শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপর একজন পলাতক রয়েছেন। প্রতিবেদকদের খবরÑ
নেত্রকোণা: নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় ১৪ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৫৫ বছর বয়সী মতি মিয়ার বিরুদ্ধে।
পুলিশ ও মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় দুলাভাইয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে বাট্টা (ভাটিপাড়া) এলাকায় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা মতি মিয়া ওই স্কুলছাত্রীর গতিরোধ করে। পরে তাকে জোরপূর্বক পাশের একটি পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভুক্তভোগীর পরিবার কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে।
আসামি মতি মিয়া কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের বাট্টা (ভাটিপাড়া) গ্রামের মৃত মন্নাফ হোসেনের ছেলে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আনোয়ার হোসেন জানান, তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। কেন্দুয়া থানার ওসি মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নরসিংদী: নরসিংদীর মাধবদীতে ২২ বছর বয়সী এক বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে আওলাদ হোসেন (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
অভিযোগ রয়েছে, গত সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বরদেরকান্দি গ্রামে একই গ্রামের ওই তরুণীকে ফুসলিয়ে নিজের বসতঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। পরে ভুক্তভোগী বিষয়টি তার মাকে জানালে মঙ্গলবার ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়।
পরিবারের লিখিত অভিযোগের পর বুধবার (১ জুলাই) শেখেরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওলাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মাধবদী থানার ওসি মোহাম্মদ কামাল হোসেন জানান, ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে এবং আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
রাজবাড়ী: রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে লুৎফর রহমান (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝালমুড়ি কিনতে গেলে অভিযুক্ত শিশুটিকে নিজের ঘরে নিয়ে নির্যাতন করে। পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন এবং তাকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
পাংশা মডেল থানার ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত লুৎফর রহমানকে স্থানীয়রা মারপিট করে পুলিশে খবর দিলে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করি। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। শিশুটি চিকিৎসাধীন, মেডিকেল রিপোর্টের পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।