সিলেট অফিস
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
কাতারে নিহত পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ মঙ্গলবার সকালে সিলেটে পৌঁছায়। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
কাতারের শাহানিয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সিলেটের পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ দেশে এনে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে মরদেহগুলো সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২২৬ ফ্লাইটে কফিনবন্দি মরদেহগুলো বিমানবন্দরে পৌঁছালে ভোর থেকেই সেখানে অপেক্ষমাণ স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
পরে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা আনুষ্ঠানিকভাবে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় নিহতদের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার চেকও তুলে দেওয়া হয়।
মরদেহ গ্রহণের পর অ্যাম্বুল্যান্সযোগে সেগুলো কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি এলাকায় নেওয়া হয়। মঙ্গলবার জোহরের নামাজের পর দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের আকুনি মাদ্রাসা মাঠে পাঁচ প্রবাসীর সম্মিলিত নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে নিজ নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।
এর আগে গত ২১ জুন কাতারের শাহানিয়া এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজনই সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার বাসিন্দা।
বিমানবন্দরে নিহতদের স্বজনদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মাওলানা আবুল হাসানও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে নিহত প্রত্যেক পরিবারের জন্য ৩৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পরবর্তীতে আরও ৩ লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে।
নিহতরা হলেন- কানাইঘাট উপজেলার ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়নের আমরপুর গ্রামের মৃত আব্দুন নূরের ছেলে জিবাল উদ্দিন, মাঝতালুক গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে জসিম উদ্দিন, আগতালুক গ্রামের সেলিম আহমদের ছেলে মস্তাক আহমদ, একই গ্রামের মৃত মড়া মিয়ার ছেলে জুবায়ের আহমদ এবং দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের নিজ গাছবাড়ী গ্রামের বাহার উদ্দিনের ছেলে কাদের আহমদ।