সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০২৩ ১৪:৫৪ পিএম
আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০২৩ ২০:১১ পিএম
প্রতীকী ছবি
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও জোর করে গর্ভপাত করানোর অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ওই নারীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি পরিবারের।
অভিযুক্ত আরফান আলী উপজেলার উমারপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। ঘটনাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।
নারীর পরিবারের অভিযোগ, উমারপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ওই নারীর স্বামী ১০ বছর আগে মারা যান। এর পর থেকে শ্রমিকের কাজ করে তিনি সংসার চালাতেন। বিভিন্ন সময় সরকারি প্রকল্পের কাজের লোভ দেখিয়ে তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে জড়ান ইউপি সদস্য আরফান আলী। এতে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে জোর করে তার গর্ভপাত করানো হয়। তা ছাড়া ওই নারীকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করেন ইউপি সদস্য আরফান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নারীর মা বলেন, ‘বাবারে! আমার পায়ের নিচে মাটি নেই। আমরা নিরীহ মানুষ। কিছু বলার মতো সাহস আমাদের নেই। আমার মেয়ে এখন কোথায় আছে, কেমন আছে কিছুই জানি না। আমি শুধু মেয়েটার সন্ধান চাই।’
ইউপি সদস্য আরফান আলীর দাবি অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, ‘আমার সম্মানহানির চেষ্টা করছে একটি মহল। আমি অসহায় নারীদের কাজের ব্যবস্থা করে দিই, এর বেশি কিছু নয়।’
ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত আছেন চৌহালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ।
তিনি বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’