বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
বাংলা একাডেমি হলরুমে সরকারি পরিষেবায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও অভিগম্যতা শীর্ষক সম্মিলন’ অনুষ্ঠানে ফেলোশিপের সনদ ও স্মারক সাংবাদিক অমর ডি কস্তার হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্রবা ফটো
প্রান্তিক মানুষকে নিয়ে তথ্যনির্ভর প্রতিবেদন প্রকাশ ও গবেষণা করায় ফেলোশিপ পেয়েছেন প্রতিদিনের বাংলাদেশের নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা প্রতিবেদক অমর ডি কস্তা।
ঢাকায় বাংলা একাডেমি হলরুমে রবিবার (২৮ জুন) বিকালে ‘সরকারি পরিষেবায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও অভিগম্যতা শীর্ষক সম্মিলন’ অনুষ্ঠানে ফেলোশিপের সনদ ও স্মারক সাংবাদিক অমর ডি কস্তার হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই পুরস্কার পাওয়া প্রসঙ্গে কস্তা বলেন, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে ফেলোশিপের জন্য মনোনীত হই এবং এগ্রিমেন্ট পেপারে সই করি। সফলভাবে ফেলোশিপের অবজেক্টিভ সম্পন্ন করার পর স্বীকৃতি হিসেবে এই সনদ ও সম্মাননা স্মারক পেলাম। এই অর্জন শুধু আমার জন্যে নয়, এ অর্জন দেশের পাঠকপ্রিয় পত্রিকা প্রতিদিনের বাংলাদেশের জন্যও বটে। প্রতিদিনের বাংলাদেশের নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা প্রতিবেদক হওয়ার সুবাদে আমি সাংবাদিকতার সুযোগ পেয়েছি। প্রান্তিক মানুষের দুঃখ-কষ্ট-বঞ্চনা অতি কাছে থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি। তা নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেছি, গবেষণা করেছি। অমর ডি কস্তাসহ দেশের ১০জন সাংবাদিক এই ফেলোশিপ সনদ ও সম্মাননা পেয়েছেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থ সহায়তায় ক্রিশ্চিয়ান এইড, আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট (উই ক্যান) এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন সম্মিলিতভাবে বাস্তবায়নকৃত এক্সপেন্ডিং সিভিক স্পেস থ্রু একটিভ সিএসও পার্টিসিপেশন এন্ড স্ট্রেন্দেন্ড গভার্নেন্স সিস্টেম ইন বাংলাদেশ প্রকল্পের অধীনে এই ফেলোশিপ কার্যক্রম পরিচালিত হয় ।
এতে ঢাকা, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, পাবনা, নাটোর, রংপুর, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর ও সিরাজগঞ্জ জেলায় গবেষণা ও প্রতিবেদন তৈরির কাজ করে স্ব স্ব জেলা থেকে ফেলোশিপ পান ১০ জন সাংবাদিক। প্রান্তিক ও পিছিয়েপড়া মানুষের প্রতি বৈষম্য, তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জীবনে চ্যালেঞ্জগুলো বস্তুনিষ্ঠভাবে বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবেদন তৈরি ও প্রচার ছাড়াও প্রান্তিক মানুষ নিজেদের অধিকার নিশ্চিতে সক্ষম কিনা তা নিয়েও গবেষণা করেন করেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা।
সনদ ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন ক্রিশ্চিয়ান এইড, এশিয়া এমসিসির প্রোগ্রাম ও পার্টনারশিপ লিড প্রিন্স সুমন বাড়ৈ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের পরিচালক বনশ্রী মিত্র নিয়োগী, উই ক্যানের প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরিকুল ইসলাম, সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক সাজ্জাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ পুলিশের ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টার শাখার এসিস্ট্যান্ট কমিশনার মনোয়ারা আক্তার রিফাতসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রধান, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ।