নিহত যুবক শফিকুল ইসলাম ওরফে কালা মিয়া। প্রবা ফটো
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর দক্ষিণ ঝিড়ারপাড় এলাকার বৈশাকুরা ঈদগাহ-সংলগ্ন সড়ক সংলগ্ন একটি ডোবার পাশে পড়েছিল দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত যুবক শফিকুল ইসলাম ওরফে কালা মিয়ার (৩২) রক্তাক্ত লাশ।
কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম রবিবার (২৮ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শনিবার রাতে উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝিড়ারপাড় এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত শফিকুল ইসলাম দক্ষিণ ঝিড়ারপাড় গ্রামের দুলা মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ৮টার দিকে ওই স্থানে রক্তাক্ত অবস্থায় শফিকুল ইসলামকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। তার শরীরে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, নিহত শফিকুল একজন শান্ত-স্বভাবের মানুষ ছিলেন এবং তার সঙ্গে কারও প্রকাশ্য কোনো বিরোধ ছিল না।
ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন বলেন, শফিকুল ইসলাম আমার চাচাতো ভাই। তার সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কারা এবং কেন এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা নেই। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের গ্রেপ্তারে কাজ চলছে।