পাবনা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ১ ঘণ্টা আগে
নিহত মঞ্জু শেখ। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
পাবনা সদর উপজেলায় পদ্মা নদীতে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এতে মঞ্জু শেখ (৩৫) নামের এক বিএনপি কর্মী নিহত হয়েছেন।
পাবনার সদরের ভাঁড়ারা ও চরতারাপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী জোতকাকুরিয়া কলাবাগান পদ্মার চর এলাকায় শুক্রবার দুপুর ১ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মঞ্জু শেখ আড়িয়া গোহাইলবাড়ি এলাকার দারোগ শেখের ছেলে।
সে সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ ও চরতারাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ রহমত আলীর আপন ভাতিজা।
মঞ্জু শেখ বিএনপি কর্মী বলে নিশ্চিত হয়েছেন প্রতিবেদক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরতারাপুরের চর এলাকা জোতকাকুড়িয়ায় কলাবাগান এলাকার পদ্মার চরে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুইগ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে এ বিষয় নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপর শুক্রবার সকালে দুইগ্রুপের লোকজন বালু আছে কি না তা পরীক্ষা করতে গিয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি ও সংঘর্ষ হয়।
এতে ঘটনাস্থলেই মঞ্জু নিহতে হলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়, বলেন তারা।
সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ বলেন, চরতারাপুর ও ভাঁড়ারা এলাকার কিছু লোকজন বালু তুলতে গেলে আমরা ভাতিজা বাধা দিতে গেলে কয়েকজন গুলি করে হত্যা করে।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি। অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। সে আমাদের দলেরও একজন কর্মী।
এ বিষয়ে ভাঁড়ারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খান বলেন, ঘটনাটি আমিও শুনেছি। চরতারাপুরের বিএনপি নেতা রউফ শেখ ও রহমত শেখের বংশের কেউ মারা গেছে।
তিনি বলেন, বালু উত্তোলন বা এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রশাসন যদি মনে করে এর সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে তাহলে আমার বিরুদ্ধে যেকোনো অ্যাকশন নিলেও আমার কোনো আপত্তি নেই।
এটা (বালু উত্তোলন) আমার সঙ্গে যায় না, আমি পছন্দ করি না বলেও দাবি করেন তিনি।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনূর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিতে মঞ্জু শেখ নিহত হয়।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।
হত্যার কারণ উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান তিনি।