কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ২ ঘণ্টা আগে
কচুয়া উপজেলার রহিমানাগর বাজারের প্রবহমান খালটি অবৈধভাবে দখল ও দূষণে বিলুপ্তর পথে। প্রবা ফটো
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রহিমানাগর বাজারের প্রবহমান খালটি বর্তমানে দখল ও দূষণে বিলুপ্তির পথে।
প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণে দখল করে নিয়েছে খালটির দুই
পাশ। বাজার এলাকাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ময়লা-আবর্জনা ফেলায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে
পড়েছে খালটি। প্রতিনিয়ত বাড়ছে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগবালাই, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য,
বিপন্ন হচ্ছে পরিবেশ। পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই দেখা দেয় জলাবদ্ধতা।
দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই পুরো খাল দখল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা
স্থানীয়দের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শত বছরের পুরানো এ খালের দুই পাশে কেউ নির্মাণ
করেছেন টিনের ঘর, কেই খালের উপর বহুতলা ভবন, কেউ বা আরসিসি পিলার ঢালাই করে তৈরি করেছে
পাকা দোকান। খালজুড়ে যেন চলছে দখলের মহোৎসব। একের পর এক দখলে খালটি সংকুচিত হয়ে কোথাও
সরু ড্রেনে, আবার কোথাও সেটির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়াই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
ঐতিহাসিক খালটি এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। কৃষিকাজেও চরম ভোগান্তি
পোহাতে হচ্ছে কৃষকদের। দখলের পাশাপাশি পচা-ময়লা আবর্জনায় সবচেয়ে বেশি দূষিত হচ্ছে
রহিমানাগর বাজারের মাংস বাজার, মুরগি বাজার, সবজি বাজার, পান সুপারি বাজারসহ
ব্রিজ এলাকা।
বাজারের ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, রহিমানাগর বাজারের প্রবহমান খালটি
বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল এক সময়। বর্তমানে দখলে
ও দূষণে বিপর্যস্ত খাল। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খালটি খনন করা খুবই জরুরি। আমরা খালটি
খনন ও দখলমুক্ত করার দ্রুত দাবি জানাচ্ছি।
কচুয়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ইউএনও মাহমুদুল হাসান রাসেল
বলেন, উপজেলাজুড়ে খাল খননের জন্য তালিকা করা হয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড, দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা ও স্থানীয় সরকার বিভাগ প্রকল্পের আওতায় শিগগিরই খালগুলো পুনঃখনন করা
হবে।