ফরিদপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
সৈয়দ মো. আলমগীর হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
ফরিদপুরে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) হেফাজতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ কর্মী মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তের মৃত্যুর পর ডিবি সদর জোনের ওসি সৈয়দ মো. আলমগীর হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে মঙ্গলবার দুপুরে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়, প্রশাসনিক কারণে ডিবি সদর জোন থেকে ওসি সৈয়দ মো. আলমগীর হোসেনকে প্রত্যাহার করে একই দিন বেলা ১টার মধ্যে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদেশটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
নিহত মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত (২৪) মধুখালী পৌরসভার গোন্দারদিয়া এলাকার মির্জা এসকেন্দারের ছেলে। তিনি ফরিদপুর আইন মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ কর্মী ছিলেন।
পরিবারের দাবি, গত শনিবার বিকেলে ডিবি পুলিশ ইশতিয়াককে আটক করে এবং তার মায়ের সামনেই মারধর করে। পরদিন রোববার সকাল ৮টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হেফাজতে মৃত্যু হয় তার।
তবে ইশতিয়াকের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য জানানো হয়নি।
পুলিশ জানায়, মাদকসহ আটকের পর প্রান্তকে ডিবি অফিসে রাখা হয়। রাতে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। প্রান্তকে কোন ধরনের নির্যাতনের কথা অস্বীকার করেছে ডিবি পুলিশ।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, “প্রশাসনিক কারণে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে”। তবে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনার কারণে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।