পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ২ ঘণ্টা আগে
ওসি, মো. এনামুল হক। প্রবা ফটো
বরগুনার পাথরঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এনামুল হককে বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে প্রশাসনিক কারণে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এনামুল হককের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণে গড়িমসি, ভুক্তভোগীদের সঙ্গে
অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং সরকারি নম্বরে যোগাযোগ না করার অভিযোগে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।
বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) ও
পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) এফএম ফয়সালের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে শনিবার (২০ জুন) এ
তথ্য জানানো হয়। তবে ওসি মো. এনামুল হকের প্রত্যাহার ও সংযুক্তির বিষয়ে অফিস আদেশে
নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। সেখানে শুধু ‘প্রশাসনিক কারণ’ দেখিয়ে তাকে বরগুনা
পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। জনমনে ওসির প্রত্যাহারের বিষয়
সম্প্রতির ঘটনাই স্পষ্ট বলে মনে করিয়ে দেয়।
আদেশে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জেলা কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক
(ওসি) মো. এনামুল হককে প্রশাসনিক কারণে তার বর্তমান কর্মস্থল পাথরঘাটা থানা থেকে প্রত্যাহারপূর্বক
পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বরগুনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) মোহাম্মদ শাহেদ
চৌধুরী বলেন, অফিস আদেশ অনুযায়ী ওসি মো. এনামুল হককে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত
করা হয়েছে।
এছাড়া স্থানীয় সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ছিল, ওসি এনামুল হক
সরকারি মোবাইল নম্বরে অধিকাংশ সময় ফোন রিসিভ করতেন না। জরুরি প্রয়োজনে তার সঙ্গে যোগাযোগ
করতে গিয়ে অনেকেই ভোগান্তির শিকার হয়ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও একটি মামলা গ্রহণ না করা, নারী বাদীদের নিয়ে
আপত্তিকর মন্তব্য করা। এসব অভিযোগ ও ঘটনার ভিডিও-অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়
মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এতে পাথরঘাটাবাসীর মধ্যে পুলিশের সেবার মান, আচরণ
ও জবাবদিহিতা নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে।