পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
পাটগ্রামের সীমান্ত পুশ-ইন ঠেকাতে স্থানীয় এলাকাবাসী ও বিজিবি কঠোর অবস্থান। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
লালমনিরহাটের পাটগ্রামের সীমান্ত দিয়ে আবারও পুশ-ইনের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। তবে এই অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
পাটগ্রাম উপজেলার টেপুরগাড়ী সীমান্তে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত প্রায় দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন (তিস্তা-২)-এর সহকারী পরিচালক (এডি) আব্দুর রাজ্জাক শুক্রবার সকালে এ সব তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজিবি ও স্থানীয়রা জানায়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান পিলার ৮৫৭-এর উপপিলার ১৩ নম্বরের একদিকে পাটগ্রাম উপজেলার পাটগ্রাম সদর ইউনিয়নের টেপুরগাড়ী সীমান্ত এলাকা। অপরদিকে ভারতের কোচবিহার রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার মেখলিগঞ্জ থানার সরকারপাড়া সীমান্ত এলাকা। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড় টায় ওই সীমান্ত দিয়ে ভারতের ১৫৬ রানীনগর বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মীররাপা ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৫ জনকে কাঁটাতারের গেট (ফটক) দিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি টেপুরগাড়ী এলাকার স্থানীয়রা বুঝতে পেরে সঙ্গে সঙ্গেই দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৬১ ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) কালীরহাট ক্যাম্পের টহল দলকে জানায়।
এ সময় বিজিবি ও স্থানীয়রা সীমান্তে অবস্থান নিলে পুশ-ইনের জন্য আনা ব্যক্তিদের ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায় বিএসএফ। বর্তমানে ওই সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে স্থানীয়রা অবস্থান নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন (তিস্তা-২)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম বলেন, “ভারতের অভ্যন্তর থেকে কয়েকজন ব্যক্তিকে এনে কাঁটাতারের গেট দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। বিজিবির টহল দল তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ফলে বিএসএফ তাদেরকে আবার ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়। সীমান্ত এলাকায় বিজিবির নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে”।